শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

সান্তাহারে রাস্তা সংস্কার নিয়ে প্রতিবাদ, দুই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

আদমদীঘি প্রতিনিধি ২১ আগস্ট ২০২৬ ০৯:৩৬ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
আদমদীঘি প্রতিনিধি ২১ আগস্ট ২০২৬ ০৯:৩৬ অপরাহ্ন
সান্তাহারে রাস্তা সংস্কার নিয়ে প্রতিবাদ, দুই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর এলাকায় রাস্তা সংস্কারের দাবিতে প্রতিবাদ করায় রুবেল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে শাসানো, হুমকি ও মারমুখী আচরণের অভিযোগ উঠেছে দুই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে আদমদীঘি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন রুবেল ইসলাম।


লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সান্তাহার পৌর এলাকার একটি রাস্তা সংস্কারের দাবিতে মহল্লার প্রায় ৪০টি পরিবারের সদস্যদের স্বাক্ষরসংবলিত একটি লিখিত আবেদন পত্র সান্তাহার পৌরসভায় জমা দিতে যান এলাকাবাসী। এলাকাবাসীর অভিযোগ রয়েছে, আবেদনটি জমা দেওয়ার সময় পৌরসভায় কর্মরত কার্যসহকারী রফিকুল ইসলাম আবেদনকারী মহিলাদের সঙ্গে অশোভন আচরণ ও গালিগালাজ করেন এবং রাস্তা সংস্কারসংক্রান্ত আবেদনটি জমা নিতে অস্বীকৃতি জানান।


পরে বিষয়টি গণমাধ্যমকর্মীদের জানানো হলে এলাকাবাসীর বক্তব্যসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে পৌর কর্মচারীর কথিত অসদাচরণ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। অভিযোগকারীর দাবি, সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই তাঁকে ওই ঘটনার জের ধরে বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছিল।


এরই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার রাতে সান্তাহার পৌর শহরের নতুন বাজার এলাকায় তাঁকে প্রকাশ্যে শাসানো, হুমকি-ধমকি দেওয়া এবং মারমুখী আচরণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন রুবেল ইসলাম। এ ঘটনায় তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কে রয়েছেন বলেও দাবি করেন।


অভিযোগে সান্তাহার পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক দিলদার আলম জুয়েল এবং পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি বিপাশ হোসেনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।


অভিযোগকারী রুবেল ইসলাম বলেন, ‘রাস্তা সংস্কারের দাবিতে এলাকাবাসীর পক্ষে কথা বলার কারণে আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। বিষয়টি গণমাধ্যমকর্মীদেরও জানিয়েছি।’


তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত দুই বিএনপি নেতা। মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে যুবদল নেতা বিপাশ হোসেন অভিযোগটি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। একই দাবি করেন সান্তাহার পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক দিলদার আলম জুয়েল।


এ বিষয়ে আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’