সোমবার, অক্টোবর ১৯, ২০২৬

সান্তাহার স্টেডিয়ামে চারতলা প্যাভিলিয়ন নির্মাণের পরিকল্পনা

আদমদীঘি প্রতিনিধি ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ১০:৩৩ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
আদমদীঘি প্রতিনিধি ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ১০:৩৩ অপরাহ্ন
সান্তাহার স্টেডিয়ামে চারতলা প্যাভিলিয়ন নির্মাণের পরিকল্পনা

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের সান্তাহার স্টেডিয়ামের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নে পরিদর্শন করেছেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মো. মখলেসুর রহমান। স্টেডিয়ামটির অবকাঠামো উন্নয়নে চারতলা প্যাভিলিয়ন নির্মাণ ও গ্যালারি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। এ জন্য স্টেডিয়ামের পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা তৈরি করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।


রোববার (১৮ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে সহকারী প্রকৌশলী স্টেডিয়াম এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি মাঠসহ স্টেডিয়ামের বিভিন্ন অবকাঠামো ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে বগুড়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মোহিত তালুকদার, আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুমা বেগম, সান্তাহার পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টু, সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান মিঠু, বগুড়া জেলা বিএনপির সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক মাহাফুজুল হক টিকনসহ স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


সংসদ সদস্য আব্দুল মোহিত তালুকদার বলেন, তাঁর বাবা প্রয়াত সংসদ সদস্য আব্দুল মজিদসহ সান্তাহার এলাকার মানুষের সহযোগিতায় ১৯৯৫ সালে স্টেডিয়ামটি নির্মিত হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ সময়ে স্টেডিয়ামটির উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়নি। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর তিনি স্টেডিয়ামটির উন্নয়নের বিষয়ে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে একজন প্রকৌশলী স্টেডিয়ামটি পরিদর্শনে এসেছেন।


জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মো. মখলেসুর রহমান বলেন, সংসদ সদস্যের উদ্যোগে স্টেডিয়ামটির উন্নয়নে আরও কিছু কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সে জন্য স্টেডিয়ামটি কীভাবে আরও উন্নত ও মানসম্মত করা যায়, তা সরেজমিনে দেখতে এসেছেন তিনি। স্টেডিয়ামের একটি পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা তৈরি করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।


বর্তমানে সান্তাহার স্টেডিয়ামে একটি প্যাভিলিয়ন, ছোট গ্যালারি ও সীমানাপ্রাচীর রয়েছে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় চারতলা প্যাভিলিয়ন নির্মাণের পাশাপাশি গ্যালারি সম্প্রসারণের কথা ভাবা হচ্ছে। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে স্টেডিয়ামটির অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে খেলাধুলার সুযোগ বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।