সোমবার, অক্টোবর ১৯, ২০২৬

মসলিন পুনরুদ্ধারে অবদান, ১০ তাঁতশিল্পীকে সম্মাননা

সোনার দেশ ডেস্ক ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ০২:০৮ অপরাহ্ন জাতীয়
সোনার দেশ ডেস্ক ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ০২:০৮ অপরাহ্ন
মসলিন পুনরুদ্ধারে অবদান, ১০ তাঁতশিল্পীকে সম্মাননা

ঐতিহ্যবাহী ঢাকাই মসলিন পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ তাঁতশিল্পীকে সম্মাননা দিয়েছে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড।

রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশের সোনালি ঐতিহ্য মসলিনের সুতা ও কাপড় তৈরির প্রযুক্তি পুনরুদ্ধার প্রকল্প (দ্বিতীয় পর্যায়)’ বিষয়ক অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল ইসলাম আহমদ চৌধুরী তাঁদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।


সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন প্রকল্পের সুপারভাইজার মো. ইকবাল হোসেন এবং তাঁতশিল্পী মো. তুষার, মো. ওয়ালী উল্লাহ, আমজাদ হোসেন, মো. হাসমত, রহিমা বেগম, জোস্না বেগম, রেহেনা বেগম ও মহসিনা আক্তার।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ফুটি কার্পাস তুলা থেকে সূক্ষ্ম সুতা তৈরি এবং সেই সুতা দিয়ে ঐতিহ্যবাহী মসলিন কাপড় উৎপাদনের গবেষণায় এসব শিল্পী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।


তাঁদের দক্ষতা, শ্রম ও অভিজ্ঞতায় মসলিন তৈরির প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

শুরুতে একটি মসলিন শাড়ি তৈরি করতে প্রায় তিন মাস সময় লাগলেও বর্তমানে তা কমিয়ে ৪১ দিনে আনা সম্ভব হয়েছে।

পাশাপাশি কার্পাস তুলা থেকে সূক্ষ্ম সুতা উৎপাদন এবং ধাপে ধাপে কাপড়ের মান উন্নয়নেও কাজ করছেন তাঁরা।

হারিয়ে যাওয়া ঢাকাই মসলিনের উৎপাদনপ্রযুক্তি পুনরুদ্ধার ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে তাঁতশিল্পীদের এ অবদানকে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।


তাঁতশিল্পীদের অবদানের কথা উল্লেখ করে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেন, মসলিন বুনন অত্যন্ত সূক্ষ্ম কাজ। এ কাপড় তৈরিতে তাঁতিদের মানসিক ও শারীরিকভাবে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে হয়। সময়সাপেক্ষ এই ঐতিহ্যবাহী শাড়ি বুননের সময় শিল্পীদের মন খারাপ থাকলে কাজের গতি কমে যায় এবং সুতা ছিঁড়ে যেতে পারে। তাই মসলিনের উন্নয়নের পাশাপাশি তাঁতশিল্পীদের মানসিক অবস্থার প্রতিও গুরুত্ব দিতে হবে।


তথ্যসূত্র: বাংলানিউজ