রাজশাহী বিভাগীয় বইমেলা সমাপ্ত

অতিথিদের কাছে পুরষ্কার গ্রহণ করছেন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন
নিজস্ব প্রতিবেদক:
৯ দিনব্যাপি রাজশাহী বিভাগীয় বইমেলার সমাপ্তি ঘটেছে। এর আগে ৩১ অক্টোবর (শুক্রবার) এই বইমেলা শুরু হয়। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায়, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উদ্যোগে এবং রাজশাহী বিভাগীয় প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত নগরীর কালেক্টরেট মাঠে এ মেলা চলে শনিবার (৮ নভেম্বর) পর্যন্ত।
মেলায় ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ৭০টি বেসরকারি প্রকাশনাসহ মোট ৮১টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। শনিবার এই মেলার সমাপনী অনুষ্ঠান করা হয়েছে। এসময় পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও করা হয়েছে মেলা প্রাঙ্গণে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার রেজাউল আলম সরকার। তিনি বলেন, আমাদের উন্নত জাতি হিসেবে গড়ে উঠার জন্য বইয়ের বিকল্প কিছু নেই। জ্ঞানসমৃদ্ধ ও উন্নত জাতি হিসাবে আমরা তখনই গড়ে উঠতে পারব যখন আমরা বইকে সমাদর করবো এবং কাজে লাগাবো।
রেজাউল আলম সরকার বলেন, শুরুর দিকে প্রতিকূল আবহাওয়া থাকলেও প্রতিনিয়ত এই মেলায় পাঠক ও দর্শক বৃদ্ধি পেয়েছে। আজকে সমাপনীর দিনেও প্রত্যেকটি স্টলে আমরা অনেক দর্শক দেখতে পাচ্ছি। আমরা আশা করছি এবারের বইমেলার যে লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য তা শতভাগ বাস্তবায়িত হয়েছে।
তিনি বলেন, বই হচ্ছে আমাদের জ্ঞানের আঁধার, একজন পাঠক তার বই থেকে যে জ্ঞান আহরণ করে এটি তাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করে। আমরা আধাঁরের বাহন হিসেবে এই বইমেলার আয়োজন করেছি। এই মেলার মাধ্যমে আমাদের ছেলেমেয়েরা অনেক নতুন নতুন বই সম্পর্কে জানতে পেয়েছে, বইগুলোর বিষয়বস্তু কি আছে তা উপলব্ধি করতে পারবে পাশাপাশি জ্ঞানপিপাসু ব্যক্তি হিসেবে তারা বইয়ের মাধ্যমে জ্ঞান সংগ্রহ করবে।
অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ড. চিত্রলেখা নাজনীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, আরএমপির উপপুলিশ কমিশনার মো. রিয়াজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল আলম এবং জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উপপরিচালক মো. ফরিদ উদ্দিন সরকার।
মেলায় অংশগ্রহণকারী ৮১টি স্টলের মধ্য হতে প্রথম স্থান অর্জন করেছে কোয়ান্টাম প্রকাশনা, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অন্যধারা প্রকাশনা এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে সত্যায়ন প্রকাশনা। অনুষ্ঠান শেষে তাদের এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের হাতে সনদ ও উপহার তুলে দেওয়া হয়। পরে মেলামঞ্চে পরিবেশিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।