পবায় এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঢাকায় যৌক্তিক দাবি আদায়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে এবং বেতনের ২০ শতাংশ বাড়িভাড়াসহ ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে পবায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের আয়োজনে নওহাটা ছালেহিয়া দারুচ্ছুন্নাত ফাজিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি নওহাটা পৌর বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নওহাটা কলেজ মোড়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়।
নওহাটা ছালেহিয়া দারুচ্ছুন্নাত ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলতাফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা বলেন, “আমরা ভিক্ষুক নই, আমরা শিক্ষক। আমাদের প্রাপ্য মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করছি। শিক্ষক সমাজের দাবি অগ্রাহ্য করা হলে সারাদেশে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”
বক্তব্য দেন তেতুলাডাঙ্গা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আক্কাস আলী, নওহাটা আঞ্জুমানে তাওহীদ দাখিল মাদরাসার সুপার এনামুল হক, নওহাটা কেন্দ্রীয় মডেল মসজিদের ইমাম ও শিক্ষক আল-আমিন, অধ্যাপক আমান উল্লাহ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শান্তিনগর দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মাহবুবুর রহমান। কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা আবু তাহের।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শিতলাই রফাতুল্লাহ আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বেলাল উদ্দিন, জাগিরপাড়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাহতাব উদ্দিন, আলীগঞ্জ আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ নুর মোহাম্মদ খান, খোলাবনা আলিম মাদ্রাসার প্রধান মিকাইল, সারাংপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার হাবিবুর রহমান, বশিরাবাদ আলিম মাদ্রাসার প্রধান ইয়াহিয়া, দারুশা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার ইউনুছ আলী, দারুল ইহসান দাখিল মাদ্রাসার সুপার আবু তাহের, তেঘর দাখিল মাদ্রাসার সুপার রেজওয়ানুল হক পিনু, শ্যানপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার শফিকুল ইসলামসহ উপজেলার সবকটি মাদ্রাসার শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ। বক্তারা বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে শিক্ষক-কর্মচারীরা আজ চরম সংকটে পড়েছেন। বর্তমান সময়ে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ব্যয় ও সন্তানদের শিক্ষা খরচ বহন করা দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া, ১,৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা, উৎসব ভাতায় কর্মচারীদের ৭৫ শতাংশ সমপরিমাণ ভাতা এবং শিক্ষকদের চাকরি জাতীয়করণের দাবি জানানো হয়। সভা শেষে শিক্ষক-কর্মচারীরা বলেন,“আমরা পাঠদানে ফিরে যেতে চাই, তবে সম্মান ও ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা পেলেই।”