নগরীতে সিনিয়র সাংবাদিককে লাঞ্ছিত
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিনিয়র সাংবাদিক ও দৈনিক দিনকালের রাজশাহী ব্যুরো প্রধান আব্দুস সবুরকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। তাকে লাঞ্ছিত করেছেন সাংবাদিক পরিচয় দানকারী মাসুদ আলম নামের একজন। যদিও তিনি নিজেকে নতুন প্রভাতের রিপোর্টার বলে পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু দৈনিক নতুন প্রভাব কর্তৃপক্ষ বলছেন, এই নামে তাদের কোন রিপোর্টার নাই।
মাসুদ আলমের বাড়ি নগরীর হেতেমখাঁ এলাকায়। গেল বুধবার (৮ অক্টোবর) রাত নয়টার দিকে সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুস সবুরের পথরোধ করেন তিনি। সেখানে মাসুদ আলম সাংবাদিক আব্দুস সবুরকে শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করে এবং অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে। এসময় আব্দুস সবুরের মোবাইল কেড়ে নেওয়ারও চেষ্টা করা হয়। স্থানীয়রা আব্দুস সবুরকে উদ্ধার করে বাড়িতে পাঠান। এরপর থেকে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
সাংবাদিক আব্দুস সবুর বলেন, আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ অনেক পুরোনো। বোয়লিয়া থানার ওসি আবুল কালাম আজাদের হস্তক্ষেপে গত ১ অক্টেবর বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়। ওসি, আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি অথবা ভূমি-অপরাধ প্রতিরোধও প্রতিকার আইন ২০২৩ এর মাধ্যমে নিষ্পিত্তির নির্দেশ প্রদান করেন। অথচ মাসুদ আলম আইনের তোয়াক্কা না করে শক্তির জোরে জায়গা দখল করতে চাচ্ছে। তার সঙ্গে এনিয়ে দ্বন্দ্ব।
দৈনিক নতুন প্রভাতের সম্পাদক সোহায়েল মাহাবুব জানান, মাসুদ আলম দৈনিক নতুন প্রভাতের কেউ না। যদি পরিচয় ব্যবহার করে থাকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুস সবুরকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জামাত খান। তিনি বলেন, এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাকে আইনের আওতায় নিয়ে এসে বিচার করতে হবে।
এদিকে লাঞ্ছিত করার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) রাজশাহী জেলার সভাপতি প্রকৌশলী মাহমুদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক নারী নেত্রী সেলিনা বেগম। তারা এক বিবৃতিতে বলেন, সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুস সবুরকে লাঞ্ছিত করার ঘটনাটি নিন্দীয়। তাকে যে ব্যক্তি হেনস্তা করেছে তাকে আইনের আওতায় নেওয়া হোক। এছাড়াও প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজশাহী কলেজের গ্রীন ভয়েজের সভাপতি রাবেয়া বেগম।