জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে রাজশাহী বিভাগে জয়ী বগুড়ার আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন স্কুল

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:
‘বিতর্ক মানেই যুক্তি, বিজ্ঞানে মুক্তি’-এই প্রতিপাদ্যে বিএফএফ-সমকাল জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবের বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা দিনব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজশাহীর শাহ মখদুম কলেজ মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকাল দশটায় শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। রাজশাহী বিভাগের আট জেলার জয়ী দলগুলোর যুক্তি-পাল্টা যুক্তিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে বগুড়ার আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ। রানার্সআপ হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নবাবগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। শ্রেষ্ঠ বক্তা হয়েছেন রানার্সআপ দলের মোবাশ্বেরা সুলতানা।
দিনের শুরুতে নির্ধারিত সময়ের আগে থেকেই খুদে বিতার্কিকরা জড়ো হয় শাহ মখদুম কলেজ প্রাঙ্গণে। সকাল দশটায় কলেজ মিলনায়তনে প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয়। শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে উৎসবের উদ্বোধন করেন নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হাসনাত আলী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমকালের রাজশাহী ব্যুরো প্রধান সৌরভ হাবিব। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা আমিরুল ইসলাম কনক, রাবির ফিসারিজ বিভাগের অধ্যাপক ফওজিয়া আওয়াল ফ্লোরা, শাহ মখদুম কলেজের অধ্যক্ষ রেজাউল ইসলাম প্রমুখ।
সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমকালের রাজশাহী ব্যুরো প্রধান সৌরভ হাবিব। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু সুফিয়ান। বিশেষ অতিথি ছিলেন নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হাসনাত আলী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাদিয়া আওয়াল তিশা, ফিসারিজ বিভাগের অধ্যাপক ফওজিয়া এদিব ফ্লোরা, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট সামিয়া রহমান, শাহ মখদুম কলেজের অধ্যক্ষ রেজাউল ইসলাম, সমকালের জয়পুরহাট প্রতিনিধি সাহারুল ইসলাম।
সভায় অতিথিরা বলেন, বিজ্ঞানশিক্ষায় নতুন প্রজন্ম যাতে বেশি করে উদ্বুদ্ধ হয়, সেদিকে দৃষ্টি রাখতে অভিভাবকদের পরামর্শ দেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ছাড়া বর্তমান কিছু কল্পনা করা যায় না। তবে, এর নেতিবাচক দিকও রয়েছে। তাই, বিজ্ঞানকে ভালো কাজে ব্যবহার করতে শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দেন বক্তারা। এছাড়া এ ধরনের সৃজনশীল প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য সমকালকে ধন্যবাদ জানান তারা।
জয়ী দলের তিনজন বিতার্কিক হলেন- জান্নাতুল ফেরদৌস সাফা(৯ম), যারিন তাসনিম তুলি(৮ম), ফাতেমা তুজ জোহুরা(৮ম)। রানার্সআপ দলের তিনজন বিতার্কিক হলেন- ফারিয়া সুলতানা (৯ম), আতিয়া জামান তাকি (৮ম), মোবাশ্বেরা সুলতানা (৯ম)।
প্রতিযোগিতায় রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলায় জয়ী দলগুলো অংশ নেয়। অংশ নেওয়া দলগুলো হলো- জয়পুরহাটের কালাই ময়েন উদ্দিন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জের বনোয়ারী লাল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, বগুড়ার আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নাটোরের কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পাবনার স্কয়ার হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নওগাঁর বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাজশাহীর রাজশাহী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের নবাবগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
ফাইনালে বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাদিয়া আওয়াল তিশা, ফিসারিজ বিভাগের অধ্যাপক ফওজিয়া আওয়াল ফ্লোরা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও বিতার্কিক ফাহমিদা আফরোজ। এছাড়াও প্রথম ও দ্বিতীয় রাউন্ডে বিচারক হিসেবে ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা আমিরুল ইসলাম কনক, রাবির টিএসসিসি পরিচালক অধ্যাপক মুর্শিদা ফেরদৌস বিনতে হাবিব, নেছার উদ্দিন, রাফিক রোহান শাহ, সৌমিত্র কুমার, অনুপ বৈদ্য, আবু নাঈম, সুমিত হাসান, আশরাফুল সন্ধি, মোহাম্মদ হুমাইরা, ইশরাখ বিনতে ইউসুফ, মেহজাবিন জান্নাত মম, মারুফ হাসান।