মোহনপুরে ফসলের মাঠে স্বস্তি

কেশরহাট প্রতিনিধি:
মোহনপুর উপজেলা জেলার অন্যতম কৃষি অধ্যুষিত এলাকা। ধান, পান, আলু, পটলসহ সব ধরণের ফসল ফলে। মাঠে মাঠে কৃষি উপসহকারিদের নিরন্তর প্রচেষ্টায় এখন কৃষকরা রাসায়নিক সারের সুষম ব্যবহার অনুস্মরণ করছে। অন্যদিকে উপজেলা কৃষি বিভাগের দিক নির্দেশনা মেনে ডিলারদের সার বিক্রির কারণে বাজার স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষকরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মোহনপুর উপজেলায় উৎপাদিত নানা ধরনের ফসলের মধ্যে ধান, পান, আলু অন্যতম। এখানে বোরো, আউশ এবং আমন মৌসুমে প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে ধানের চাষাবাদ হয়ে থাকে। আয়তনের দিক থেকে ছোট এ উপজেলা ফসলের সমাহারে সারাবছর ফসলের মাঠ ভরে থাকে। এসকল ফসলে ব্যবহৃত রাসায়নিক সার সরবাহের জন্য নিযুক্ত রয়েছেন সাতজন বিসিআইসি সার ডিলার এবং ১৮জন বিএডিসি সার ডিলার। সকল ডিলাররা নিয়মিত সার সরবারাহ করে থাকেন। কৃষকদের মতে, বর্তমান কৃষি অফিসারের মাঠ ঘুরে তৃণমুল কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। আমাদের চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহের জন্য ডিলারদের নির্দেশনা দেন। চাহিদা অনুয়ায়ী ডিলাররা সঠিকভাবে সরবরাহ রাখছে তাই তারা ন্যায্যমুল্যে নিয়মিত সার পাচ্ছেন। ফলে ফসলের মাঠে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে।
মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌর এলাকার কৃষক আকবর হোসেন জানিয়েছেন, বর্তমান কৃষি অফিসার স্যার আসলে একজন কৃষক বান্ধব। তিনি নিয়োমিত কোনো নো কোনো বিলে হঠাৎ গিয়ে হাজির হন। কৃষকদের ফসল চাষে রোগবালাইসহ নানা সমস্যা, অভিযোগ এবং নিরসনের উপায় নিয়ে বিষয়ে আলোচনা করেন। সার নিয়ে কোনো সমস্যা নাই। নিয়ম অনুযায়ী সঠিক ভাবে সার বিক্রি করছেন ডিলাররা। ফসলের দামটা ভাল পেলেই কৃষকরা পুরো স্বস্তিতে পৌঁছাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মঙ্গলবার বিকেলে বিসিআইসি সার ডিলার মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি জানিয়েছেন, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ি সঠিক ভাবে সকল ডিলাররা বিক্রি করছেন। অনিয়ম হওয়ার কোনো সুযোগ নাই। উপজেলা কৃষি অফিসার সার্বক্ষণিক ভাবে মনিটরিং অব্যাহত রেখেছেন।
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. কামরুল ইসলাম জানান, সার নিয়ে কোনো অনিয়ম হওয়ার সুযোগ নেই। কৃষকদের নিয়েই আমাদের কাজ। কৃষক রক্ষার সার কীটনাশক বিক্রয় ব্যবস্থা সঠিক ভাবে পরিচালনায় নিয়োমিত মটনটরিং অব্যাহত রয়েছে এবং আগামীতেও এ ব্যবস্থা চলমান থাকবে বলে আশাবাদী তিনি।