সোমবার, আগস্ট ২৪, ২০২৬

শীতে জবুথবু ঈশ্বরদী : তাপমাত্রা ৭ থেকে ৮ ডিগ্রিতে

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ ০২:৪৬ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ ০২:৪৬ অপরাহ্ন
শীতে জবুথবু ঈশ্বরদী : তাপমাত্রা ৭ থেকে ৮ ডিগ্রিতে

পাবনার ঈশ্বরদীতে টানা শৈত্যপ্রবাহে জবুথবু অবস্থায় জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। গত এক সপ্তাহজুড়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ঈশ্বরদীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন বুধবার ঈশ্বরদীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হিমালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে। তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে।

গত দুই দিন ধরে ঈশ্বরদী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী বাতাসের আদ্রতা ছিল শতভাগ এবং ঘণ্টায় ৫ থেকে ৬ কিলোমিটার বেগে হিমেল বাতাস প্রবাহিত হয়।

জানা গেছে, রাত গভীর হলেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে সড়ক ও মহাসড়ক। ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশা এতটাই ঘন হয়ে ওঠে যে কয়েক হাত দূরের কিছুই দেখা যায় না। ফলে মহাসড়কে যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করছে। শৈত্যপ্রবাহ ও তীব্র ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, খেটে খাওয়া মানুষ ও নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীরা। জীবিকার তাগিদে কনকনে শীত উপেক্ষা করেই সকালে কাজে বের হতে হচ্ছে তাদের।

শীতের প্রভাব পড়েছে শিক্ষার্থীদের ওপরও। ঈশ্বরদীর বেপজা স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী সুমাইয়া খাতুন নাফসি বলেন, সকালে স্কুলে যেতে খুব কষ্ট হয়। কুয়াশা এত বেশি থাকে যে সামনে কিছুই দেখা যায় না। খুব শীত লাগে।

অভিভাবক ইসমাইল হোসেন বলেন, এমন কুয়াশায় ছোট বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে ভয় লাগে। কখন কী হয় বলা যায় না। ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক মো. নাজমুল হক রঞ্জন জানান, বুধবার ঈশ্বরদীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি এবং গতকাল বৃহস্পতিবার ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাসের আদ্রতা ছিল শতভাগ এবং ঘণ্টায় ৫ থেকে ৬ কিলোমিটার বেগে ঠান্ডা বাতাস বয়ে যাচ্ছে। আগামী কয়েক দিন এ ধরনের শীত পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানান তিনি।