শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

‘কৃত্রিম সূর্য’ প্রকল্পে রেকর্ড গড়লো চিনের সুপারকন্ডাক্টিং ম্যাগনেট

সোনার দেশ ডেস্ক ২৯ জুন ২০২৬ ০২:৪৫ অপরাহ্ন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সোনার দেশ ডেস্ক ২৯ জুন ২০২৬ ০২:৪৫ অপরাহ্ন
‘কৃত্রিম সূর্য’ প্রকল্পে রেকর্ড গড়লো চিনের সুপারকন্ডাক্টিং ম্যাগনেট
এই ফিউশন পরীক্ষার যন্ত্রটির নির্মাণ কাজ ২০২৭ সালের মধ্যে শেষ হবে। ছবি: সিসিটিভি

‘কৃত্রিম সূর্য’ প্রকল্পের জন্য তৈরি উচ্চ-তাপমাত্রার একটি সুপারকন্ডাক্টিং ম্যাগনেট বা চুম্বকের সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছেন চীনা বিজ্ঞানীরা। এই মাইলফলকটি পারমাণবিক ফিউশন প্রযুক্তিকে গবেষণাগার থেকে বাণিজ্যিক ব্যবহারের দিকে নিয়ে যাওয়ার পথ প্রশস্ত করলো।

কেরালাকে ছাড়িয়ে ভারতের ‘নারিকেল রাজধানী’ এখন কোন রাজ্যকেরালাকে ছাড়িয়ে ভারতের ‘নারিকেল রাজধানী’ এখন কোন রাজ্য

চীনের আনহুই প্রদেশের হেফেই ফিউচার সায়েন্স সিটিতে অবস্থিত ‘বার্নিং প্লাজমা এক্সপেরিমেন্টাল সুপারকন্ডাক্টিং টোকামাক’ নামের একটি ফিউশন পরীক্ষার যন্ত্রের জন্য এই ম্যাগনেটটি তৈরি করা হয়েছে। প্রযুক্তিগত ভাষায় একে বলা হয় ‘সেন্ট্রাল সোলেনয়েড ম্যাগনেট’। বিজ্ঞানীরা একে গাড়ির ইঞ্জিনের ‘স্পার্ক প্লাগ’-এর সঙ্গে তুলনা করছেন। এটি প্লাজমার মধ্য দিয়ে বৈদ্যুতিক প্রবাহ চালনা করে ফিউশন প্রক্রিয়া শুরু করতে সাহায্য করে।

পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই ম্যাগনেটটি ৬০ কিলোঅ্যাম্পিয়ার স্থিতিশীল বৈদ্যুতিক প্রবাহ বহন করতে সক্ষম এবং এটি ৬ দশমিক শূন্য ৩ মেগাজুল শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, পারমাণবিক ফিউশন গবেষণায় বিশ্বজুড়ে অর্জিত সাফল্যের মধ্যে এর মূল কর্মক্ষমতা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।

চিনের বিজ্ঞান অ্যাকাডেমির প্লাজমা ফিজিক্স ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক ছিন চিংকাং বলেন, সেন্ট্রাল সোলেনয়েড ম্যাগনেট হলো সবচেয়ে জটিল অপারেটিং কন্ডিশনের একটি যন্ত্র। এর কর্মক্ষমতার ওপরই নির্ভর করে ফিউশন ডিভাইসটি চালু থাকবে কি না এবং স্থিতিশীল থাকবে কি না। এটিই সেই মূল উপাদান, যা ফিউশনকে পরীক্ষামূলক পর্যায় থেকে ব্যবহারিক জ্বালানি শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে নির্ধারণকারী ভূমিকা পালন করবে।

ইউরোপে তীব্র গরমেও এসি ব্যবহার নিয়ে রাজনৈতিক যুদ্ধইউরোপে তীব্র গরমেও এসি ব্যবহার নিয়ে রাজনৈতিক যুদ্ধ

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ‘এই ফিউশন পরীক্ষার যন্ত্রটির নির্মাণ কাজ ২০২৭ সালের মধ্যে শেষ হবে। আর ২০৩০ সালের মধ্যেই এর মাধ্যমে পারমাণবিক ফিউশন থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে চীন।

তথ্যসূত্র: সিসিটিভি, বাংলাট্রিবিউন