বুধবার, আগস্ট ২৬, ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে চালু হলো ডিজিটাল অটোমেশন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ২৫ আগস্ট ২০২৬ ১০:৫৯ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ২৫ আগস্ট ২০২৬ ১০:৫৯ অপরাহ্ন
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে চালু হলো ডিজিটাল অটোমেশন

রোগীর তথ্য সংরক্ষণ, টিকিট সংগ্রহ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধ ব্যবস্থাপনায় কাগজনির্ভরতার পরিবর্তে এবার ডিজিটাল ব্যবস্থায় যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতাল। রোগীদের ভোগান্তি কমানো এবং চিকিৎসাসেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট এই হাসপাতালে চালু করা হয়েছে ডিজিটাল অটোমেশন পদ্ধতি। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) হাসপাতাল প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।


জেলা পরিষদের অর্থায়নে চালু হওয়া এ ব্যবস্থার আওতায় হাসপাতালের বিভিন্ন সেবা ডিজিটাল পদ্ধতির আওতায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে টিকিট কাউন্টার, রোগীর তথ্য সংরক্ষণ, ফার্মেসি, ওষুধের মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা। ফলে হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম আরও সহজ ও নিয়ন্ত্রিত হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. হারুনুর রশীদ। তিনি বলেন, অটোমেশন চালুর ফলে রোগীদের আগের প্রেসক্রিপশন ও চিকিৎসার ইতিহাস ডিজিটালভাবে সংরক্ষিত থাকবে। এতে চিকিৎসকরা রোগীর পূর্ববর্তী তথ্য দ্রুত দেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে পারবেন।


নতুন ব্যবস্থায় রোগীদের ব্যবস্থাপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বহনের ঝামেলাও কমবে। একই সঙ্গে টিকিট, প্যাথলজি পরীক্ষা এবং হাসপাতালে ভর্তি সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা বাড়বে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।


অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদ প্রশাসক বলেন, ২৫০ শয্যার হাসপাতাল হলেও বর্তমানে প্রায় ১০০ শয্যার জনবল দিয়ে চিকিৎসাসেবা পরিচালনা করতে হচ্ছে। জনবল সংকটের কারণে কিছুটা সীমাবদ্ধতা থাকলেও সেবার মান ধরে রাখতে সরকার চিকিৎসকের শূন্য পদ পূরণসহ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে।


হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. জমির মো. হাসিবুস সাত্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শাহাব উদ্দিন, বিএমএ ও ড্যাবের জেলা সভাপতি ডা. মোহা. ময়েজ উদ্দীন এবং জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সালেহ মোহাম্মদ হাসনাত। স্বাগত বক্তব্য দেন হাসপাতালের আরএমও ডা. মাহবুব হাসান।


সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অটোমেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে হাসপাতালের বিভিন্ন সেবার তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা যাবে। বিশেষ করে ফার্মেসিতে ওষুধের মজুত ও সরবরাহের তথ্য ডিজিটালভাবে নিয়ন্ত্রণের ফলে ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম কমানোর পাশাপাশি জবাবদিহিতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।