শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

নাম কেন ‘অপারেশন ফার্স্ট লাইট’

WP Import ১০ নভেম্বর ২০২৫ ১২:০১ পূর্বাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
WP Import ১০ নভেম্বর ২০২৫ ১২:০১ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক:


অভিযানের নামের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ডিআইজি বলেন, তারা রাতে গিয়ে অবস্থান নিয়েছেন, কিন্তু চরে নামেননি। ভোরের দিকে আকাশে যে আলো দেখা দেয়, তখন অভিযান শুরু করেছেন। এই আলো সকালকে ডাকে, মানুষের জন্য স্বপ্ন হয়ে আসে। সে জন্য তারা অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘অপারেশন ফার্স্ট লাইট’। তিনি মনে করেন, এই অভিযানের মাধ্যমে ওই এলাকার মানুষের জীবনে স্বস্তি আসবে।
অভিযানের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল রাজশাহী, নাটোর ও পাবনার বিস্তীর্ণ পদ্মা চরের বাসিন্দাদের বিভিন্ন বাহিনীর অত্যাচার, নির্যাতনের হাত থেকে নিরাপত্তা দিতে কাজ করা। এটা শেষ নয়, শুরু। তিন জেলায় মোট গ্রেফতার হয়েছে ৫৮ জন। এ ছাড়া ১০টি অস্ত্রসহ গুলি, হাঁসুয়া, ডেগার, ছোরা, চাকু, রামদা, চাইনিজ কুড়াল, ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাজা, মোটরসাইকেল, লোহার পাইপ, টিউবওয়েল জব্দ করার তথ্য জানান তিনি।

এছাড়াও কুষ্টিয়ার দৌলতপুরেও পদ্মার চরে পুলিশ পৃথক অভিযান চালায়। বিকেল চারটার দিকে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অবস্) ফয়সাল মাহমুদ বলেন, তারা ৩১৫ জন পুলিশ সদস্য ১০ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছেন। চরের গভীর থেকে দুটি অস্থায়ী তাঁবু, একটি স্পিডবোট, দুটি নৌকা, তিনটি মোটরসাইকেল, তিনটি মুঠোফোন ও অস্ত্র রাখার জন্য বিশেষভাবে তৈরি দুটি চেম্বার উদ্ধার করা হয়।

এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান। তদারক করেন খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশন) শেখ জয়নুদ্দীন। পুলিশ কর্মকর্তা ফয়সাল মাহমুদ বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা কাকন বাহিনী বা অন্য কোনো বাহিনীর সঙ্গে সম্পৃক্ত কি না, তা এখনো জানা যায়নি। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
এদিকে কুষ্টিয়ার অভিযান সম্পর্কে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, গত শনিবার রাতে একই সময়ে কুষ্টিয়া জেলায় এ রকম একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। যেহেতু সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর অভয়ারণ্য দৌলতপুর, কুষ্টিয়া জেলার একটি থানা; তাই সেখানে অভিযান চালানো হয়েছে।