কাটা গলা নিয়ে ৩ কিলোমিটার রিকশাচালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না ফজলুর!
কেশরহাট প্রতিনিধি:
দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে শ্বাসনালী কেটেছে রিকশাচালক ফজলুর রহমানের (৩৫)। এমন অবস্থায় জীবন রক্ষার চেষ্টায় তিন কিলোমিটার রিকশা চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে কেশরহাট বাজারে যান। এসময় লোকজন তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (৯ নভেম্বর) সকালে ফজলুর মৃত্যু হয়। নিহত ফজলুর জেলার তানোর উপজেলার অমৃতপুর গ্রামের ইব্রাহীম হোসেনের ছেলে।
জানা গেছে- ফজলুর রাজশাহী শহরে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালাতেন। শনিবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কেশরহাটের শিয়ালকোলা সড়কে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে আহত হয় ফজলুর। সেখান থেকে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় অটোরিকশা চালিয়ে কেশরহাট বাজারে আসেন। এরপর বাজারের স্থানীয়রা তাকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এরপর সেখান থেকে তাকে রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকালে ফজলুর মৃত্যু হয়।
মোহনপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোদাশ্বের হোসেন খান জানান, রিকশাচালক ফজলুর রহমানের গলায় ছুরিকাঘাত করে সন্ত্রাসীরা। এরপর তিনি নিজেই রিকশা চালিয়ে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরের কেশরহাট বাজারে যান। রামেক হাসপাতালে মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এবিষয়ে মামলা হয়েছে।