গোরস্থানের জমি দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী মহানগরীর উপকণ্ঠ বসুয়ায় এক নারীর বিরুদ্ধে গোরস্থানের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। জমি দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। মানববন্ধন থেকে দ্রুত দখলকৃত জমি ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে বসুয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এই মসজিদের পিছনে গোরস্থানের জায়গা। সেখানে ১ কাঠা জমি দখলে রেখেছেন বলে অভিযোগ করেছেন মুসল্লীরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মুসলিমা বেগম বেশ কিছুদিন ধরে গোরস্থানের প্রায় ১ কাঠা জমি দখলে নিয়ে আছে। ক্ষমতাবলে দখলের বিষয়ে কিছু বলতে গেলে গালিগালাজ করে এবং মারমুখি আচরণ করে থাকে। এমনকি এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে হামলা মামলার হুমকি দেয়। মুসলিমা বেগম গোরস্থান কমিটির কাছে ওই এককাঠা জমি বিক্রির প্রস্তাব দেয়। কিছুদিন আগে গোরস্থানের জমির ওপর স্থাপনা নির্মাণকালে এলাকাবাসী বাধা দিলে মারামারি হয়। এ বিষয়ে থানায় মামলা হয় এবং সাধারণ মানুষকে আসামি করে পুলিশি হয়রানি করছে মুসলিমা বেগম।
বক্তারা আরও বলেন, মসজিদ বা গোরস্থানের জমি কারও বিক্রির এখতিয়ার নাই। অথচ মুসলিমা বেগম বুঝতে চাইছেন না। এ ব্যাপারে তাকে বারবার বলেও কাজ হচ্ছে না। প্রেক্ষিতে পুলিশি হয়রানি থেকে বাঁচতে ও মুসলিমা বেগমের দখল থেকে গোরস্থানের জমি রক্ষা করতে মানববন্ধন করতে হচ্ছে। এই মানববন্ধনের মাধ্যমে আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন রাখছি যেন বিষয়টি অতিদ্রুত সমাধান হয় এবং এলাকার মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারে।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, গোরস্থান কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন, সমাজসেবক মোজাম্মেল হক বাক্কার, সেলিম উদ্দিন, আব্দুর রহমান, খোকন আলী প্রমুখ।
এ বিষয়ে মুসলিমা বেগম বলেন, আমার জমিতে আমি আছি। আমি কারও জমি বা গোরস্থানের জমি দখল করতে যাইনি। যারা আমার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে গেল ২৬ অক্টোবর তারা আমার বাসায় ঢুকে আমাকে আর আমার মেয়ে মেরে গিয়েছিল। আমার মাথাতে ১৭টা সেলাই পড়েছিল। বেশ কয়েকদিন আমি হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। তারা মূলত আমার জমির দখল করার চেষ্টা করছে। আমার বাড়ি থেকেও গোরস্থান অনেক দূরে।