জামায়াতের সম্পর্কে শুধু বাংলাদেশিরা না সারা বিশ্ব জানে: অ্যাড. মিলন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিএনপির ত্রাণ ও পূনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী-৩ আসন থেকে মনোনয়নপ্রাপ্ত অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন বলেছেন, জামায়াতে ইসলাম সম্পর্কে শুধু বাংলাদেশিরা না সারা বিশ্ব জানে। জামায়াত ১৯৪৭ সালে ভারতের পক্ষে, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের পক্ষে, ১৯৮৬ সালে স্বৈরাচার এরশাদের পক্ষে যেয়ে নির্বাচন করে জাতীয় মোনাফেকে রাপান্তরিত হয়েছে। এজন্য জামায়াতকে দেখার আর কিছু নাই। এই দল সর্বদা মোনাফেক ছিলো, এখনও মোনাফেকী করে যাচ্ছে। তারা বেহেস্তের টিকিট বিক্রি করছে। এই মোনাফেক দল থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান তিনি।
আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ক্রীড়া ফাউন্ডেশন রাজশাহী জেলার আয়োজনে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে কাটাখালী পৌর এলাকার মাসকাটাদিঘী হাই স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি থেকে পুরষ্কার বিতরণ করেন অ্যাড. শফিকুল হক মিলন।
শফিকুল ইসলাম মিলন বলেন, সরকার যখন নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল ঠিক তখন জামায়াতে ইসলাম সংস্কার সংস্কার করে পাগল হয়ে গিয়েছিলো। সংস্কার কীভাবে করতে হয় বিএনপি তা জানে। কারণ বিএনপির জন্মই সংস্কার করার জন্য। শহীদ প্রেসিডেন্ট মেজর জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় বসেই বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা করে সংস্কার কার্যক্রম শুরু করেছিলেন বলে আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলাম রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছিলো। এরপর বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে সংস্কার করেছেন। রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার থেকে পার্লামেন্ট সরকার করেছিলেন।
তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর ডাকে ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমে কঠোর আন্দোলন করে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে। হাসিনা এখন ভারতে রয়েছেন। সেখান থেকে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করছে। ফ্যাসিস্ট হাসিনা তার বোনকে নিয়ে পালিয়ে গেছে। তিনি তার দলের লোকজনের কথা ভাবেনি বলেও জানান তিনি। বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. ইউনুস অনেকটাই মেজর জিয়াউর রহমানের মত ক্ষমতায় এসেছেন। মেজর জিয়াকে সিপাহী-জনতা আন্দোলন করে ক্যান্টনমেন্ট থকে মুক্ত করে দেশের ভার তুলে দিয়েছিলেন। আর ইউনুস এসেছেল ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে।
খেলায় কাটাখালী পৌর ৪ নম্বর ওয়ার্ড মাসাকাটাদিঘী ফুটবল দল ৫-১ গোলে শ্যামপুর রাকিব ফুটবল একাদশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার-আপ দলের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ক্রীড়া ফাউন্ডেশন রাজশাহী জেলার সদস্য সচিব সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ক্রীড়া ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সচিব অ্যাড. আফানুর রহমান রুবেল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য ও নওহাটা পৌর সাবেক মেয়র শেখ মকবুল হোসেন, পবা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ প্রমুখ।