শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

পরিস্থিতি পাইলটের আয়ত্তের বাইরে চলে যাওয়ায় মাইলস্টোন দুর্ঘটনা

WP Import ০৫ নভেম্বর ২০২৫ ০৮:৫৪ অপরাহ্ন জাতীয়
WP Import ০৫ নভেম্বর ২০২৫ ০৮:৫৪ অপরাহ্ন
পরিস্থিতি পাইলটের আয়ত্তের বাইরে চলে যাওয়ায় মাইলস্টোন দুর্ঘটনা
পরিস্থিতি পাইলটের আয়ত্তের বাইরে চলে যাওয়ায় মাইলস্টোন দুর্ঘটনা

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর

সোনার দেশ ডেস্ক:


রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুলে অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত কমিটির প্রধান সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লে. জেনারেল এস এম কামরুল হাসান। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, প্রতিবেদনে দুর্ঘটনার মূল কারণ উল্লেখ করা হয়েছে, উড্ডয়ন ত্রুটির কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রশিক্ষণের সময় যখন পাইলট ফ্লাই করছিলেন পরিস্থিতি তার আয়ত্তের বাইরে চলে যায়।

বুধবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রেস সচিব। গত ২১ জুলাই দুর্ঘটনার দিন প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
প্রেস সচিব জানান, তদন্ত কমিটি ১৫০ জনের সঙ্গে কথা বলেছে; এর মধ্যে এক্সপার্ট, ভুক্তভোগী আছেন, সবার সঙ্গে তারা কথা বলেছেন। সবার সঙ্গে কথা বলে তারা ১৬৮টি তথ্য উদ্ঘাটন করেন। এর মধ্যে ৩৩টি সুপারিশ করেছেন। প্রতিবেদনে প্রধান যে সুপারিশ করা হয়েছে, জননিরাপত্তার স্বার্থে এখন থেকে বিমানবাহিনীর সব প্রাথমিক প্রশিক্ষণ ঢাকার বাইরে পরিচালিত হবে।

তিনি জানান, তদন্তে আরও পাওয়া গেছে, এই স্কুল রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) বিল্ডিং কোডের অনুমোদন হয়নি। এই বিল্ডিংয়ে ন্যূনতম তিনটি সিঁড়ি থাকার কথা ছিল, সেখানে ছিল একটা সিঁড়ি মাঝ বরাবর। বিশেষজ্ঞ কমিটি বলছে, তিনটি সিঁড়ি থাকলে হতাহতের সংখ্যা আরও কম হতো। এছাড়া আরও সুপারিশের মধ্যে আছে, বরিশাল ও বগুড়ায় রানওয়ে আছে, সেটাকে সম্প্রসারণ করার। আজ মিটিংয়ে সেই নির্দেশনা দেওয়া হয়। রাজউকের বিল্ডিং কোড যাতে নতুন সম্প্রসারিত এলাকায় পালিত হয়, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রেস সচিব বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানবাহিনীর বিমানের স্বল্পতা আছে। আরও বলা হয়েছে, এয়ারপোর্টের আশেপাশে যেন ‘ফোম টেন্ডার’ থাকে সে বিষয়ে সুপারিশ করা হয়েছে। এটা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দরে টেক অব এবং ল্যান্ডিংয়ের জন্য বাড়ি বানানোর ক্ষেত্রে উচ্চতার একটা বিধিনিশেধ আছে। অন্যান্য দেশে দেখা গেছে, টেক অব এবং ল্যান্ডিংয়ের পথে কিছু কিছু স্থাপনার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আছে, যেমন হাসপাতাল, স্কুল, ওয়ারহাউজ, ক্ষুদ্র শিল্প স্থাপনের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আছে, এই দিকে যাতে সিভিল এভিয়েশন নজর রাখে, সে বিষয়ে বলা হয়েছে।
তিনি জানান, প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে অনেক জায়গায় বিমানবন্দর আছে, সেগুলো যাতে ঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়।
তথ্যসূত্র: বাংলাট্রিবিউন