ঈশ্বরদীতে ২০১ নাগরিকের নামে নেসকো’র মামলা, প্রতিবাদে নাগরিক সমাজের বিক্ষোভ সমাবেশ রোববার
ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি:
পাবনার ঈশ্বরদীতে বৈদ্যুতিক সংযোগ লাইনের প্রিপেইড মিটার স্থাপন কার্যক্রম বন্ধ করার দাবিতে সড়ক অবরোধ ও নেসকো কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচী পালন করার ঘটনায় ভাঙচুর ও নেসকোর কর্মকর্তাদের হেনস্থা করার অভিযোগে ঈশ্বরদীর ২০১ নাগরিকের নামে মামলা করেছে নর্দান ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড ‘নেসকো’র ঈশ্বরদীস্থ আবাসিক নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুন নূর। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) রাতে তিনি বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
এদিকে এই মামলার প্রতিবাদে শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঈশ্বরদী সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ মিলনায়তনে ঈশ্বরদীর সর্বস্তরের নাগরিক সমাজ প্রতিবাদ সভা করে রোববার (২ নভেম্বর) সকালে মানববন্ধন, বিক্ষোভ কর্মসূচী ও সমাবেশের ডাক দিয়েছে। প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা মাহ্বুবুর রহমান পলাশ। প্রধান সমন্বয়ক আশিকুর রহমান লুলুর সমন্বয়ে এ সভায় ঈশ্বরদীর বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের নেতৃস্থানীয়রা অংশগ্রহণ করেন।
জানা গেছে, ঈশ্বরদীতে প্রিপেইড মিটার স্থাপন কার্যক্রম বন্ধ করার দাবিতে বুধবার শহরের প্রধান সড়ক অবরোধ করে ‘সচেতন নগরবাসী ফোরামের’ ব্যানারে শত শত নারী-পুরুষ জড়ো হয় নেসকো কার্যালয়ের সামনে। নেসকো’র প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়ে প্রায় ২ ঘণ্টা নেসকো কার্যালয় ঘেরাও করে পথসভা ও মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেন। এসময় নেসকো কার্যালয় ভাঙচুর ও আবাসিক নির্বাহী প্রকৌশলীর অফিসে গিয়ে তাকে হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ করে বৃহস্পতিবার রাতে থানায় মামলা করেন নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুন নূর। এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ.স.ম. আব্দুন নূর শুক্রবার সন্ধ্যায় মুঠোফোনে মামলার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, সরকারি কার্যালয়ে ভাঙচুর ও নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলীকে হেনস্তা করার অভিযোগে মামলাটি নথিভূক্ত করা হয়েছে। মামলায় ‘সচেতন নগরবাসী ফোরাম’র আহবায়ক ও পাকশী রেলওয়ে ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক রাজিবুল আলম ইভানকে প্রধান আসামী করে ২০১ জনের নামে মামলা করা হয়েছে।