শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

ঈশ্বরদীতে সব অ্যাম্বুলেন্স চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা!

WP Import ২২ অক্টোবর ২০২৫ ০৮:৫৪ অপরাহ্ন
WP Import ২২ অক্টোবর ২০২৫ ০৮:৫৪ অপরাহ্ন

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি:


পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অভ্যন্তরে অ্যাম্বুলেন্স গ্যারেজ করে রাখা এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে জুয়েল হোসেন নামের একজন বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালককে ভ্রাম্যমান আদালতে ৭দিনের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। ঈশ্বরদীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান সরকার এই কারাদন্ডের আদেশ দেন।

এদিকে এর প্রতিবাদে ঈশ্বরদীর প্রায় ২৫টি অ্যাম্বুলেন্স চলাচল বন্ধ রেখে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট শুরু করেছেন বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালকরা। বুধবার (২২ অক্টোবর) ঈশ্বরদী থেকে রাজশাহী, পাবনা, ঢাকা, এনায়েতপুর, বগুড়াসহ দেশের সব এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ এই এলাকার হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে মুমুর্ষ কোন রোগীকে অন্য কোন হাসপাতালে পাঠানো বন্ধ রয়েছে। বুধবার দুপুরে অ্যাম্বুলেন্স চালকরা হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ করে গণমাধ্যমকে জানায়, ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে কর্তৃপক্ষ সব অ্যাম্বুলেন্স বের করে দেওয়ায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। আটক চালক জুয়েল হোসেনকে মুক্তি এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যাম্বুলেন্স রাখতে না দিলে অনির্দিষ্ট কালের জন্য তারা এই ধর্মঘট চালিয়ে যাবেন। অ্যাম্বুলেন্স চালক ইসমাইল হোসেন, শাকিল হোসেন, জীবন হোসেন, ইয়াকুব আলী, নাজমুল হাসান, আরেফিন ইসলাম, মকলেছুর রহমান, জনি কুমার দাসসহ প্রায় ২৫ জন চালকরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে বুধবার অবস্থান ধর্মঘট করেন।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সাহেদুল ইসলাম শিশির বলেন, সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভেতরে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালকরা প্রতিদিন ১২ থেকে ১৫টি অ্যাম্বুলেন্স গ্যারেজ করে রাখে। এ কারণে চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত ও পরিবেশ নষ্ট হওয়ায় এখানে গ্যারেজ করে রাখা সব অ্যাম্বুলেন্স বের করে দেওয়া হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলী এহসান বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবেশ ঠিক রাখার স্বার্থে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান সরকার বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।