শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

পদ্মা নদীতে বিলীন চরাঞ্চলের দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, অস্থায়ী ভবনে চলছে ক্লাস

WP Import ২০ অক্টোবর ২০২৫ ১১:৫৩ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
WP Import ২০ অক্টোবর ২০২৫ ১১:৫৩ অপরাহ্ন

শিবগঞ্জ প্রতিনিধি:


শিবগঞ্জে পদ্মা নদীর ভাঙনে বিলীন হওয়ায় দুটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যায়ের ক্লাস চলছে অন্যোর জমিতে অস্থায়ী ঘর তুলে। বিদ্যালয় দুটি হলো দূর্লভপুর ইউনিয়নের ১০২ নং দোরশিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পাঁকা ইউনিয়নের ৮৪ নং চর লক্ষীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।

শিবগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালে পদ্মানদীর ভাঙনে জমি সহ বিদ্যালয়টির বিল্ডিং বিলীন হয়ে যায়। তখন থেকে শিবগঞ্জ উপজেলার ঘোড়াপাখিয়া ইউনিয়নের ঘোড়াপাখিয়া খেয়া ঘাট এলাকায় ব্যক্তিমালিকানাধীন পাঁচ কাঠা জমির ওপর অস্থায়ীভাবে ঘরে তুলে কোন রকমে বিদ্যালয়ের কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে। অন্যাটি হলো পাঁকা ইউনিয়নের ৮৪ নং চর লক্ষীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালযের জমি সহ ভবনটি ২০১৭ সালে পদ্মা নদীর ভাঙনে বিলীন হযে গেলে ইউনিয়নের বাবুপুর গ্রামের সাত্তার মোড়ে ব্যক্তিমালিকানা জমিতে অস্থায়ী ভিত্তিত্তে ঘর নির্মান করে বিদ্যালয়ের কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে। আঞ্চলিক প্রথা অনুযায়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থানীয় শিশুরাই ভর্তি হয়ে থাকে। কিন্তু নদী ভাঙনের কারনে বিদ্যালয়টি স্থানান্তরিত হওয়ায় শিক্ষার্থীদের সংখ্যা একে বারে কমে গেছে। শিক্ষার মানও অনেকাংশ কমেছে বলে মন্তব্য করেন স্থানীয় লোকজন।

১০২ নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ২০২০ সালে পদ্মা নদীর ভাঙ্গনে আড়াই বিঘা জমি সহ বিদ্যালয়ের বিল্ডিং বিলীন হয়ে গেলে বিদ্যালয়টি স্থানান্তর করে ঘোড়াপাখিয়া খেয়াঘাট এলাকায় ব্যক্তিগত মালিমানাধীন জমিতে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলছে। একই কথা বললেন ৮৪ নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: তৌহিদ উদ্দিন।

তিনি জানান, ২০১৭ সালে বিদ্যালয়ের জমি সহ বিল্ডিং পদ্মা নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে গেলে পাঁকা ইউনিয়নের বাবুপুর গ্রামের সাত্তার মোড়ে অন্যের জমিতে অস্থায়ী ভাবে ঘর নির্মাণ করে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলছে।
শিবগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো: মুসাব্বের হাসান খান জানান, বিদ্যালয় দুুটির জমিসহ বিল্ডিং নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ায় অস্থায়ী ভিত্তিতে ব্যক্তিগত জমির ওপর ঘর নির্মাণ করে কাজ চলছে। ঘটনাটি আমাদের উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিসার মো: সাইফুল ইসলাম জানান, নদী ভাঙনে বিদ্যালয়ের সাথে জনপদও বিলীন হযে যায়। ফলে নানা ধরনের সমস্য সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে এ দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য তদন্ত সাপেক্ষে বিদ্যালয় দুটির সার্বিক উন্নতির জন্যপ্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।