শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

২২ বছর আগের চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত দুই ভাই গ্রেপ্তার

WP Import ১৫ অক্টোবর ২০২৫ ১১:৪২ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
WP Import ১৫ অক্টোবর ২০২৫ ১১:৪২ অপরাহ্ন
২২ বছর আগের চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত দুই ভাই গ্রেপ্তার
২২ বছর আগের চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত দুই ভাই গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহীতে ২২ বছর আগের চাঞ্চল্যকর ট্রাক হেলপার মো. আনজু হত্যা মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। শাহীনুর রহমান শাহীন (৪৮) ও সাদিকুর রহমান সুমন (৪৫) নামের যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এই আসামিরা সম্পর্কে দুই ভাই।

আদালতে সাজার পর থেকে তারা ১৫ বছর ধরে আত্মগোপনে ছিলো। অবশেষে বুধবার রাজশাহী নগরের শাহমুখদুম থানার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শাহীন ও সুমন নগরের রাজপাড়া থানার ভেড়িপাড়া কেশবপুর এলাকার মতিউর রহমানের ছেলে। তারা নিজেদের নাম পরিবর্তন করে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করেছিলেন।

মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে র‌্যাব জানায়, ২০০৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর রাতে আনজু নামের ট্রাকের হেলপারকে খুন করা হয়। প্রথমে ট্রাক চালককে হত্যার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে হেলপারকে ট্রাকেই হত্যা করা হয়। এর আগে সোনামসজিদ থেকে ট্রাকটি ভাড়া নিয়ে পাবনার দাশুড়িয়ায় যাওয়া হচ্ছিল। পথে নানা নাটকীয়তার পর রাজশাহীর গোদাগাড়ীর বিজয়নগর এলাকায় এ খুনের ঘটনা ঘটে।
পরদিন সড়কে দাড়িয়ে থাকা ট্রাক থেকে হেলপারের লাশ উদ্ধার করা হয়। সে সময় ঘটনাটি ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় ট্রাকের চালক শফিকুল ইসলাম ওরফে বাবলু বাদী হয়ে রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

র‌্যাব জানায়, মামলার পর সেই সময় আসামিদেরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা ৫ বছর হাজতে থাকার পর ২০১০ সালে জামিনে মুক্তি পেয়ে পলাতক হন। পরে আদালত আসামিদের অনুপস্থিতিতে বিচার করে যাবৎজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেন।

এরপর আসমিরা সাজা এড়াতে নিজেদের নাম পরিবর্তন করে নতুন এনআইডি কার্ড বানিয়ে বিদেশ যাওয়ার জন্য পরিকল্পনা করে। তবে ঘটনার প্রেক্ষিতে মামলা ও রায়ের সূত্র ধরে ছায়া তদন্তের মাধ্যমে আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে রাজশাহী র‌্যাব। এরই অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইস্যুর পর থেকে ১৫ বছর ধরে তারা আত্মগোপনে ছিলো। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা যাবৎজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্ত হওয়ার কথা স্বীকার করেছে। পরে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।