রবিবার, আগস্ট ২৩, ২০২৬

ঈশ্বরদীতে জনতা ব্যাংকের ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা তুলে ম্যানেজার উধাও

WP Import ০৭ অক্টোবর ২০২৫ ১২:১৭ পূর্বাহ্ন
WP Import ০৭ অক্টোবর ২০২৫ ১২:১৭ পূর্বাহ্ন
ঈশ্বরদীতে জনতা ব্যাংকের ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা তুলে ম্যানেজার উধাও
ঈশ্বরদীতে জনতা ব্যাংকের ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা তুলে ম্যানেজার উধাও

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি:


পাবনার ঈশ্বরদীতে এক কোটি ৩০ লাখ টাকা নিয়ে উধাও হয়েছেন জনতা ব্যাংক পিএলসি পাকশী শাখার ব্যবস্থাপক খালেদ সাইফুল্লাহ কচি। রোববার (৫ অক্টোবর) দুপুরে ঈশ্বরদী শাখা থেকে ১ কোটি ও দাশুড়িয়া শাখা থেকে ৩০ লাখ টাকা উত্তোলন করার পর থেকে সোমবার (৬ অক্টোবর) এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ঈশ্বরদী থানায় এ বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। সোমবার সর্বশেষ খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পুলিশ, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও স্বজনরা এখনো তার কোন সন্ধান পাননি।

জনতা ব্যাংক ঈশ্বরদী করপোরেট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. মোহছানাতুল হক বলেন, রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাকশী শাখার ব্যবস্থাপক খালেদ সাইফুল্লাহ ক্যাশ রেমিট্যান্সের জন্য ঈশ্বরদী করপোরেট শাখায় আসেন। আগের দিন তিনি টেলিফোনে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা প্রয়োজনের কথা আগে থেকেই জানিয়ে রেখেছিলেন। খালেদ সাইফুল্লাহ জনতা ব্যাংকের দাশুড়িয়া বাজার শাখা থেকে রোববার ৩০ লাখ এবং ঈশ্বরদী করপোরেট শাখা থেকে ১ কোটি টাকাসহ ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা গ্রহণ করার পর থেকে লাপাত্তা হয়েছেন। টাকা হস্তান্তরের সময় আনসার সদস্য মাহবুব তার সঙ্গে ছিলেন। প্রয়োজনীয় ভাউচার ও রেজিষ্টারে স্বাক্ষর সম্পন্ন করার পর বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে খালেদ সাইফুল্লাহ এবং আনসার সদস্য মাহবুব টাকা নিয়ে পাকশী শাখার উদ্দেশ্যে একটি প্রাইভেট কার যোগে রওনা দেন। গাড়ির চালক ছিলেন মো. ইসমাইল হোসেন। তবে তিনি শাখায় পৌঁছে টাকা জমা দেওয়ার কথা জানালেও এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। বিকাল ৫টার মধ্যেও খালেদ সাইফুল্লাহ ব্যাংকে না পেঁছানোর কারনে আতঙ্কিত হয়ে ব্যাংক কর্মকর্তারা ঈশ্বরদী থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

জনতা ব্যাংকের দাশুড়িয়া শাখার ব্যবস্থাপক শাহিনুর রহমান বলেন, পাকশী শাখার ম্যানেজার খালেদ সাইফুল্লাহ রোববার দাশুড়িয়া শাখা থেকে ৩০ লাখ টাকা উত্তোলন করেন। সঙ্গে থাকা আনসার সদস্য মাহবুব জানান, ব্যাংক থেকে টাকা তুলে ব্রাক ব্যাংকের ঈশ্বরদী শাখার সামনে এসে আমাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়ে তিনি গাড়ি নিয়ে একাই চলে যান। কোথায় গেছেন তা আমি জানি না।
নিখোঁজ ম্যানেজার খালেদ সাইফুল্লাহর স্ত্রী দিলরুবা বেগম বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো রোববার সকালে তিনি ব্যাংকে যান। দিনভর কোন যোগাযোগ হয়নি। বিকালে ব্যাংকের কর্মকর্তারা বাসায় এসে তার নিখোঁজ হওয়ার খবর জানান। জনতা ব্যাংক জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) জাহাঙ্গীর হোসেন জোয়ার্দ্দার বলেন, সরেজমিনে ঈশ্বরদী, দাশুড়িয়া ও পাকশী শাখায় গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ.স.ম আব্দুন নূর বলেন, এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি তদন্ত চলছে নিখোঁজ ম্যানেজারকে নানাভাবে খোঁজা হচ্ছে।