রবিবার, আগস্ট ২৩, ২০২৬

সোনামসজিদ এলকায় খাস জমিতে অবৈধ স্থাপনা, ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে যাত্রী ছাউনি

WP Import ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১২:২৮ অপরাহ্ন
WP Import ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১২:২৮ অপরাহ্ন
সোনামসজিদ এলকায় খাস জমিতে অবৈধ স্থাপনা, ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে যাত্রী ছাউনি
সোনামসজিদ এলকায় খাস জমিতে অবৈধ স্থাপনা, ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে যাত্রী ছাউনি


শিবগঞ্জ(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)সংবাদদাতা:


শিবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন সোনামসজিদ এলাকায় সরকারি /খাস জমির উপর গড়ে ওঠেছে অবৈধভাবে বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা। এমনকি ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে সরকারিভাবে নির্মিত যাত্রী ছাউনি। প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মধ্যে চলছে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি।

ফলে কোন প্রতিকার নেই। শাহাবাজপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোনামসজিদ এলাকার এক নম্বর খাস খতিয়ানের ৪৭২ নং দাগের রাস্তার ২৫ শতক ও ৪৭৩ নং দাগের পাঁচ একর ৪৯ শতক জমির ওপর থাকা পুকুর পাড় দখল করে স্থায়ী ভাবে ১৫-২০টি দোকান ঘর, হোটেল ও কয়েকটি বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। তার মধ্যে কোন কোন দোকান ঘর প্রায় ৪০ বছরের পুরানো। আবার কিছু নতুন দোকান নির্মিত হয়েছে। তাতে পুকুর পাড় ও রাস্তা মিলে কয়েক বিঘা জমি বর্তমানে বেদখল হয়ে আছে।

সরেজমিনে শনিবার ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, স্থানীয় বাসিন্দা আবু বাক্কার পুকুর পাড়ে রাস্তার জমি দখল করে নতুন করে স্থাপনা অর্থাৎ দোকান ঘর নির্মাণ করছে। তার সামনে যাত্রী ছাউনির আংশিক ভেঙ্গে ফেলেছে। তার দক্ষিণ পাশে আরো একটি স্থায়ী ভাবে দোকানঘর নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ করেছে। যাত্রী ছাউনির উত্তরে একটি হোটেল ও আরো কয়েকটি স্থায়ী দোকান ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।

তার উত্তরে কয়েকটি বাড়ি আছে। নতুন করে দোকানের মালিক (যিনি যাত্রী ছাউনির আংশিক ভেঙ্গেছেন) আবু বাক্কার জানান, আমি যাত্রী ছাউনি ভাঙ্গেনি। শুধু আবর্জনা পরিস্কার করে বসার উপযোগী করেছি। তিনি আরো বলেন, আমি একজন গরিব মানুষ। প্রায় ৪০ বছর ধরে এখানেই কাঠের দোকান তৈরি করে দোকানদারি করে আসছিলাম। কাঠের দোকানটি ভেঙ্গে যাওযায় ছোট করে ইট দিয়ে দোকান ঘর তৈরির কাজ শুরু করেছি।

বাকি দোকানদারদের প্রায় একই ভাষ্য। এব্যাপারে স্থানীয় মহিল্ াইউপি সদস্য শিল্পী বেগম জানান, খাস জমির ওপর কয়েকজন গরিব মানুষের দোকান ঘর ও কয়েকটি বাড়ি আছে। তারা অনেকদিন থেকে বসবাস ও দোকানদারি করে আসছে। এব্যাপারে শাহাবাজপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ফয়েজ উদ্দিন জানান, আমি বারবার দোকন ঘর সরাতে নোটিশ দিয়েছি এবং নতুন করে দোকান ঘর তৈুর করতে নিষেধ করেও তারা শুনেননি।

এমনকি যাত্রী ছাউনিটি পুনরায় মেরামত করার জন্য আবু বাক্কারকে বলেও কর্ণপাত করেননি। যা আমি সহকারী কমিশনারর(ভূমি) মো. তৌফিক আজিজকে জানিয়েছি। অন্যদিকে, শিবগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তৌফিক আজিজ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ইউনিয়ন ভূমি অফিসকে নির্দেশ দিয়েছি খাস জমির ওপর থাকা অবৈধ স্থাপণা উচ্ছেদের নোটিশ দিতে ও যাত্রী ছাউনি ভাঙ্গার ব্যাপারে থানার মামলা করার।

গতকাল (মঙ্গলবার ) মামলা হওয়ার কথা, যদি না হয় তবে আজকে অবশ্যই মামলা হবে। অন্যদিকে, শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আজাহার আলির সাথে মুঠো ফোনে বার বার চেষ্টা করেও ফোন রিসিভ না করাই তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।