শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

রাকসু নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভিপি পদে লড়বেন বারিক

WP Import ২৫ আগস্ট ২০২৫ ১০:৫০ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
WP Import ২৫ আগস্ট ২০২৫ ১০:৫০ অপরাহ্ন
রাকসু নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভিপি পদে লড়বেন বারিক
রাকসু নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভিপি পদে লড়বেন বারিক

সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থিতা ঘোষণা করেন আব্দুল বারিক। ছবি: সংগৃহীত

রাবি প্রতিবেদক:


আসন্ন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)- নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করছেন আব্দুল বারিক নামে শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

সোমবার (২৫ আগস্ট) বিকেলো বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি নিজের প্রার্থীতা ঘোষণা করেন। আব্দুল বারিক স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল বারিক বলেন, রাকসু শিক্ষার্থীদের অধিকার, মর্যাদা ও স্বপ্নবাস্তবায়নের প্ল্যাটফর্ম। শিক্ষার্থীদের কল্যাণ, গণতান্ত্রিক চর্চা এবং একাডেমিক পরিবেশ রক্ষার জন্য আমি আমার প্রার্থীতা ঘোষণা করছি। দীর্ঘদিন ধরে রাকসু নিষ্ক্রিয় থাকার কারণ আমাদের নানা ধরনের সমস্যার সমাধান হচ্ছে না বা গুরুত্ব পাচ্ছে না। আবাসন সংকট, লাইব্রেরির পর্যাপ্ত সুবিধার অভাব, ক্যাম্পাসের রাস্তার বেহাল দশা, নিরাপত্তাজনিত সমস্যা, খাদ্যদ্রব্যের মান ও দাম- এসব বিষয়ে আমাদের বক্তব্য পৌঁছানোর কোনো প্ল্যাটফর্ম নেই। বিভিন্ন মাধ্যমে প্রতিবাদ করলেও পর্যাপ্ত সাড়া পাওয়া যায় না প্রশাসনের কাছ থেকে।

দীর্ঘদিন পর রাকসু নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, রাকসু সক্রিয় হলে নানাবিধ সমস্যা ছাত্র প্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রশাসনের দৃষ্টিগোচর হবে এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হবে। আমরা চাই, রাকসু আবার সচল হোক, যেন আমরা আমাদের অধিকার ও চাহিদাগুলো গঠনমূলকভাবে উপস্থাপন করতে পারি। রাকসু রাজনৈতিক শক্তির দাঁড়া প্রভাবিত না হযে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম হোক এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

রাকসুর কার্যকরিতা বিষয়ে তিনি বলেন, রাকসু শুধুই কিছু নেতা নির্বাচনের আয়োজন না হয়ে, প্রকৃত অর্থে একটি গণমুখী ও জবাবদিহিমূলক সংগঠন হিসেবে কাজ করবে এটাই কাম্য। চব্বিশের গণআন্দোলনকে স্মরণে রেখে আমি আমার নির্বাচনী ইশতেহার ২৪ দফায় ঘোষণা করছি। একাডেমিক ও শিক্ষা সংক্রান্ত কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের অধিকার ও কল্যাণ, অবকাঠামো ও পরিবেশের উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ও গবেষণার উন্নয়ন, ডিজিটালাইজেশন ও তথ্য প্রযুক্তি, শিক্ষার্থী কল্যাণ তহবিল, গণতন্ত্র ও জবাবদিহিতা প্রভৃতি বিষয় আমার ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত।