শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

রাজশাহীর ‘সোনার দেশ’ পত্রিকা কার্যালয় পরিদর্শনে ডিএফপির প্রতিনিধিদল

WP Import ২৪ আগস্ট ২০২৫ ০৯:২০ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
WP Import ২৪ আগস্ট ২০২৫ ০৯:২০ অপরাহ্ন
রাজশাহীর ‘সোনার দেশ’ পত্রিকা কার্যালয় পরিদর্শনে ডিএফপির প্রতিনিধিদল
রাজশাহীর ‘সোনার দেশ’ পত্রিকা কার্যালয় পরিদর্শনে ডিএফপির প্রতিনিধিদল

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহীর স্থানীয় দৈনিক ‘সোনার দেশ’ পত্রিকার কার্যালয় সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন- সরকারের চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর (ডিএফপি) এর একটি টিম। রোববার (২৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় নগরের অলংকার মোড়ে অবস্থিত পত্রিকাটির কার্যালয়ে গিয়ে পত্রিকার সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করেন প্রতিনিধিদল। এসময় ডিএফপির পরিচালক (বিজ্ঞাপন ও নিরীক্ষা) রিফাত জাফরীর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন সহকারী পরিচালক (নিরীক্ষা) মো. শরীফুল ইসলাম এবং প্রদর্শক এনামুল হক।

পরিদর্শনের সময় প্রতিনিধিদল ‘সোনার দেশ’ পত্রিকার অবকাঠামোগত সুবিধা, অফিস ব্যবস্থাপনা, সংবাদকর্মীদের সংখ্যা ও তাঁদের নিয়োগপত্র, বেতন-ভাতা প্রদান সংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনা করে। তারা খতিয়ে দেখেন, পত্রিকাটি যে প্রচারসংখ্যা ঘোষণা করেছে, তার সঙ্গে দৈনিক ছাপার সংখ্যার মিল রয়েছে কি না। এছাড়া পত্রিকার নিয়মিত প্রকাশনার ধারাবাহিকতাও যাচাই করা হয়।
ডিএফপির কর্মকর্তারা বলেন, এই ধরনের পরিদর্শন কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হয়, যাতে স্থানীয় পর্যায়ের গণমাধ্যমগুলো সরকার নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে কি না-তা নিশ্চিত করা যায়।

পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দল ‘সোনার দেশ’ পত্রিকার সাংবাদিকদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভায় অংশ নেয়। সভায় ডিএফপির পরিচালক রিফাত জাফরী বলেন,“স্থানীয় সংবাদপত্রগুলো সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করছে। তারা তৃণমূলের মানুষের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি সরকারের উন্নয়ন বার্তাও পৌঁছে দিচ্ছে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ‘সোনার দেশ’ পত্রিকার সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাত, বার্তা সম্পাদক দুলাল আব্দুল্লাহ, প্রধান প্রতিবেদকসহ পত্রিকাটির বিভিন্ন বিভাগে কর্মরত সাংবাদিকেরা।
চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (নিরীক্ষা) মো. শরীফুল ইসলাম জানান, দেশের বিভিন্ন জেলার স্থানীয় সংবাদপত্রগুলোকে কেন্দ্রীয়ভাবে তদারকি করা হচ্ছে। নিয়মিত এই পরিদর্শনের মাধ্যমে দেখা হচ্ছে, পত্রিকাগুলো আসলে নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে কি না, ঘোষিত প্রচারসংখ্যা ঠিক আছে কি না, কর্মীদের যথাযথভাবে নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছে কি না, এবং বেতন কাঠামো ও অন্যান্য সুবিধা তারা পাচ্ছে কি না। সরকারি বিজ্ঞাপন প্রদানে স্বচ্ছতা আনতে এবং স্থানীয় গণমাধ্যমের মানোন্নয়নে এই উদ্যোগ নিয়েছে অধিদপ্তর।