সোমবার, জুন ২২, ২০২৬

গোদাগাড়ীতে বক্তব্য দেবেন জামায়াতের আমির

তানোর প্রতিনিধি ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:০৫ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
তানোর প্রতিনিধি ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:০৫ অপরাহ্ন
গোদাগাড়ীতে বক্তব্য দেবেন জামায়াতের আমির

১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে গোদাগাড়ীতে বক্তব্য দেবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) গোদাগাড়ী মহিলা ডিগ্রি কলেজ মাঠে দুপুরে তিনি বক্তব্য দেবেন।


মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় গোদাগাড়ী সদরের একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি গোলাম মোর্ত্তজা। 


তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ২০২৪ সালের গণআন্দোলন দেশের জনগণের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, অনিয়ম, ভোটাধিকার হরণ ও একনায়কতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে একটি স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ হিসেবে গড়ে ওঠে। ওই আন্দোলনে ছাত্র, শ্রমিক, পেশাজীবী, আলেম-ওলামা, নারী-পুরুষসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন, যা প্রমাণ করে জনগণের সম্মতি ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনা সম্ভব নয়।


জুলাই সনদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই সনদ একটি নৈতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার। এতে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করা, নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ রাখা এবং ভোটাধিকার জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার সুস্পষ্ট অঙ্গীকার রয়েছে। পাশাপাশি রাষ্ট্রের মৌলিক প্রতিষ্ঠানসমূহে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে।


তিনি জানান, আসন্ন জনসভায় ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের পক্ষে ভোট প্রার্থনার পাশাপাশি জুলাই সনদের বাস্তবায়ন এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হবে।


সংবাদ সম্মেলনে তিনি রাজশাহী জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন এবং সংবাদ সম্মেলনের বার্তা সঠিক ও দায়িত্বশীলভাবে জনগণের কাছে তুলে ধরার জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানান।


এ সময় ১১ দলীয় জোটের সকল শরিক দল, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তি এবং গণতন্ত্রকামী নাগরিক সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন ও রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়।


সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা জামায়াতের আমির আব্দুল খালেক, শিক্ষা বিভাগের সভাপতি ড. ওবায়দুল্লাহ, জেলা জামায়াতের মিডিয়া সেল বিভাগের সদস্য মুহাম্মদ শহীদুল্লাহসহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।