রাজশাহীতে নবনির্মিত শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল
রাজশাহীতে দীর্ঘ আন্দোলনের পর নির্মিত হয়েছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। একুশের প্রথম প্রহরেই নবনির্মিত এই শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল নামে। যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে রাজশাহীতে পালিত হচ্ছে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হচ্ছে।
একুশের প্রথম প্রহরে নগরীর সোনাদিঘির পাড়ে এক একর জমির ওপর নির্মিত নতুন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা করা হয়। শহীদ মিনার চত্বরে একটি নিমগাছের চারা রোপণ করে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। এরপর তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এছাড়াও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম. বজলুর রশীদ ও জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
নবনির্মিত এই শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মানুষের ঢল নামে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা পর্যায়ক্রমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
দিবসটিতে রাজশাহী জেলা প্রশাসন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এদিন সকাল ১১টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘একুশ: জাতীয় জাগরণের প্রেরণা’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হবে। বাদ যোহর ভাষা শহিদদের আত্মার শান্তি কামনা করে সকল মসজিদে বিশেষ মোনাজাত এবং সুবিধামত সময়ে সকল মন্দির ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়াও সূর্যোদয়ের সঙ্গে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ভবন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ এবং বেসরকারি ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতভাবে উত্তোলন করা হয়ে। রাজশাহী মহানগরীর সড়কদ্বীপ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে বাংলা বর্ণমালা সম্বলিত ফেস্টুন দ্বারা সজ্জিত করা হয়েছে।