পুঠিয়ার ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে ১ জন নিহত গুরুতর আহত ৭
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার জিউপাড়া ইউনিয়নের চকপলাশী এলাকায় ডাকাত সন্দেহে গনপিটুনি এক জন নিহতের ঘটনা ঘটেছে । এছাড়াও ৮ জন গুরুতর আহত অবস্থায় পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য (রামেক) প্রেরণ করা হয়।
গভীর রাতে চকপালাশী এলাকায় ৮ জন ব্যক্তি একটি মিনি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ন-১৯-৩৮৬৭) করে ঘুরতে দেখে গ্রামবাসীরা ডাকাত সন্দেহে গাড়িতে থাকা সকলকে আটক করে। পরে বিক্ষিপ্ত জনতা তাদের ব্যাপক মারধর শুরু করলে ঘটনাস্থলেই শাহীন(৪৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। শাহীন দূর্গাপুর উপজেলার মাড়িয়া গ্রামের
আকরামের ছেলে।
গুরুতর আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহত ব্যক্তিরা হলেন, মো. শামীম(৩৫), পিতা- মো. লালু, গ্রাম, চকপলাশী, থানাঃ পুঠিয়া, জেলা- রাজশাহী। মো. শফিকুল(৪৫), পিতা- মৃত সোনা মিয়া, গ্রাম, জিরানী, থানা- আশুলিয়া, মো. রফিকুল ইসলাম(৪০), পিতা- মো. জহুরুল ইসলাম, গ্রাম-ইমাদপুর, থানা- মিঠাপুকুর, জেলা- রংপুর। মো. শাহীন (৪৫), পিতা- আকরাম, গ্রাম, মাড়িয়া, থানা- দূর্গাপুর, জেলা- রাজশাহী খারজাহান(৩৫), পিতা- মাহি, গ্রাম, নানজেগুড়ি, থানা- ধামরাই, জেলাঃ ঢাকা। সেলিম শেখ (৩০), পিতা- মো. সাত্তার শেখ, সাং বামালের চর, থানা. ভূঞাপুর, জেলাঃ টাঙ্গাইল। মামুন(৪২), পিতাঃ একানদানি সরকার, গ্রাম, কুটিবয়রা, থানাঃ ভূঞাপুর, জেলাঃ টাঙ্গাইল। রুপচান(৩০), পিতাঃ মোস্তফা, গ্রাম, সোনিয়াপাড়া, থানা- দেওয়ানগঞ্জ, জেলা- জামালপুর।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তিরা জানান, ছোট একটি ট্রাকে আটজনের একটি ডাকাত চক্র আমাদের গ্রামে ডাকাতের উদ্দেশ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছিল এমনটি অবস্থায় আমরা বুঝতে পেরে তাদেরকে আটক করে থানা পুলিশকে খবর দেই, পুলিশ এসে তাদেরকে আটক করে নিয়ে যায়।
রাজশাহী জেলা পুলিশ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান জানান, আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে তালা কাটার সরঞ্জাম ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। একজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং এ ঘটনায় দ্রুত একটি মামলা দায়ের করা হবে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।