মহান স্বাধীনতার ৫৫তম বার্ষিকী আজ
আজ মহান স্বাধীনতা দিবস। ৫৫তম বার্ষিকী। স্বাধীনতার অবিনাশী চেতনা জাতিকে উদ্বুদ্ধ করছে, সাহস যোগাচ্ছে। পরাভব না মানার শৌর্য-বির্যের সঞ্চায়নই স্বাধীনতার উত্তারাধিকার। তাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শাণিত উদ্দীপ্ত উজ্জ্বল শপথের দিন আজ। অনেক চড়াই-উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এক সম্ভাবনার দেশ। এগিয়ে যাওয়ার ধারা বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে, এখনো হচ্ছে- তবুও দেশ এগিয়ে যায়। স্বাধীনতার শত্রুরা, ষড়যন্ত্রীরা বারবার পিছিয়ে যায়।
বাঙালি জাতির দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম, আপসহীন আন্দোলন এবং একাত্তরের নয়মাস রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র জনযুদ্ধের মধ্য দিয়ে জাতি স্বাধীনতা অর্জন করে। স্বাধীনতা সংগ্রামে দীর্ঘ পথচলায় এবং জনযুদ্ধের প্রতিটি মুহূর্তে যাঁর নেতৃত্ব বাঙালি জাতিকে উজ্জীবিত করেছে, শৌর্য-বীর্যে সাহসে স্পর্ধায় মরণোন্মুখ পথ মাড়িয়ে জীবনের জয়গান গাইতে শিখিয়েছে- তিনিই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। স্বাধীনতা দিবসের এই ক্ষণে তাঁকে জানাই শ্রদ্ধা ও সালাম। এই মহেন্দ্রক্ষণে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি জাতীয় চারনেতাকে, স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যিঁনি জাতিকে উজ্জীবিত করোছিলেন সেই বীর সিপাহসালার শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে, শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় স্মরণ করি সকল মুক্তিযোদ্ধা, মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহিদের আত্মদান এবং চার লক্ষ নারী- যারা সম্ভ্রম হারিয়েছেন, তাঁদের।
প্রতিবছরই স্বাধীনতা দিবস জাতির সামনে হাজির হয় নতুন নতুন তাৎপর্য নিয়ে। এবারের স্বাধীনতা দিবস জাতিকে নতুন উদ্ভাসে আলোকিত করবে নিশ্চয়। বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ধারা এগিয়ে যাবে সেটাই প্রত্যাশিত। বাংলাদেশ এগিয়ে যাবেÑঅপরাভাবে এগোয় বাংলাদেশ, এ বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য। ৫৫তম স্বাধীনতা দিবসে এ প্রত্যয় আরো শাণিত, আরো উজ্জ্বল হোক।
দৈনিক সোনার দেশের অগণতি পাঠক, শুভান্যুধায়ী ও বিজ্ঞাপনদাতাদের জানাই মহান স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তীতে অনেক অনেক শুভেচ্ছা।