সোমবার, আগস্ট ২৪, ২০২৬

আইসক্রিম বিক্রেতার সেই মুণ্ডু বাড়িতে নিয়ে গিয়ে রান্না করলেন প্রৌঢ়!

সোনার দেশ ডেস্ক ২৯ মার্চ ২০২৬ ১২:৫৬ অপরাহ্ন আন্তর্জাতিক
সোনার দেশ ডেস্ক ২৯ মার্চ ২০২৬ ১২:৫৬ অপরাহ্ন
আইসক্রিম বিক্রেতার সেই মুণ্ডু বাড়িতে নিয়ে গিয়ে রান্না করলেন প্রৌঢ়!
নৃশংস হত্যাকাণ্ড যোগীরাজ্যে। ছবি: সংগৃহীত

ফের নৃশংস হত্যাকাণ্ড যোগীরাজ্যে। ২৫ বছরের আইসক্রিম বিক্রেতার মুণ্ডু কেটে খুন। এখানেই থেমে নেই ঘটনাটি। ৫০ বছর বয়সি অভিযুক্ত ব্যক্তি আইসক্রিম বিক্রেতাকে খুনের পর, তাঁর কাটা মুণ্ডুটি হাতে ঝুলিয়ে বাড়িতে নিয়ে যান। এরপর সেই মুণ্ডু পাশে রেখেই রান্না করেন নিজের বাড়িতে। 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের বারাবাঙ্কি জেলায়। পুলিশ জানিয়েছে, পারসাওয়াল গ্রামে নিত্যদিন আইসক্রিম বিক্রি করতে যেতেন বাবলু নামের ওই যুবক। গতকালও গ্রামে আইসক্রিম বিক্রি করতে গিয়েছিলেন। সেখানে শঙ্কর যাদব নামের এক স্থানীয় ব্যক্তির সঙ্গে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়েছিল তাঁর। 

বচসা চলাকালীন আচমকাই দা দিয়ে বাবলুর গলায় কোপ বসিয়ে দেন শঙ্কর। জনসমক্ষে বাবলুর গলায় কোপ দিয়েই, মুণ্ডু কেটে আলাদা করে দেন। এরপর কাটা মুণ্ডুটি রাস্তা থেকে কুড়িয়ে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। তাও আবার সকলের চোখের সামনে, হাতে ঝুলিয়ে। এরপর উনুন জ্বালিয়েই ওই কাটা মুণ্ডু রান্না করতে শুরু করেন। 

খুনের পরেই পুলিশের কাছে স্থানীয়রা খবর পাঠান। তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছয়। গোটা এলাকা ঘিরে শঙ্করের বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। রান্নাঘরে ঢুকেই শঙ্করকে রান্না করতে দেখে তারা। উনুনের পাশেই রাখা ছিল বাবলুর কাটা মুণ্ডুটি। 

দ্রুত অভিযুক্ত শঙ্করকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পাশাপাশি খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র, কাটা মুণ্ডুটিও উদ্ধার করে তারা। পুলিশ জানিয়েছে, বাবলুর স্ত্রী, দুই সন্তান রয়েছে। বাড়ির সবচেয়ে বড় ছেলে ছিলেন। পরিবারের খরচ, সংসার চালানোর দায়িত্ব ছিল তাঁর কাঁধে। বাবলুর দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। কী কারণে শঙ্কর ও বাবলুর মধ্যে বচসা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

তথ্যসূত্র: আজকাল অনলাইন