মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে হামের চিকিৎসা নিতে এসে তিনজন অভিভাবকের মোবাইল ফোন চুরি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ৩১ মার্চ ২০২৬ ০৮:২৮ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ৩১ মার্চ ২০২৬ ০৮:২৮ অপরাহ্ন
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে হামের চিকিৎসা নিতে এসে তিনজন অভিভাবকের মোবাইল ফোন চুরি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে হামের চিকিৎসা  নিতে এসে তিনজন অভিভাবকের  মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৩০ মার্চ) দিবাগত রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে চিৎসাধীন শিশুদের তিনজন অভিভাবকের মোবাইল ফোন চুরি হয়েছে।


হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড ও হাম আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে চুরি যায় এসব মোবাইল ফোন যায়। এতে উদ্বিগ্ন রোগীর স্বজনরা হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।


রোগীর স্বজনরা জানান, হামসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত অনেক বেশি শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। ওয়ার্ডে জায়গা না পেয়ে তারা হাসপাতালের বারান্দা, করিডোরসহ যে যেখানে পারছেন মেঝেতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন শিশুর। আর এই সুযোগই কাজে লাগাচ্ছে চোরেরা। সোমবার দিবাগত রাতে হাসপাতালের পুরনো ভবনের তিন তলার দুটি ওয়ার্ড থেকে তিনজন অভিভাবকের মোবাইল ফোন চুরি হয়।


শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা থেকে শিশুর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে রয়েছেন জীবন হাসান। সোমবার রাতে তার মোবাইলে ফোন চুরি হয়ে যায়। জীবন হাসান ও তাঁর স্ত্রী তিন তলার বারান্দার মেঝেতে ছোট শিশুকে নিয়ে আছেন চিকিৎসার জন্য। 


জীবন হাসান বলেন, ২৫ মার্চ শিশুকে ভর্তি করার পর জেলা হাসপাতালে আছি আমরা। কিন্তু এখানে রোগী বা রোগীর স্বজনদের জন্য কোন নিরাপত্তা দেখিনা। যখন তখন বাইরের মানুষ আসা যাওয়া করে। আমি রাত তিনটা পর্যন্দ জেগে ছিলাম। এর পরে কিছুক্ষণের জন্য ঘুমিয়েছি। এরমধ্যেই আমার মোবাইল ফোনটি চুরি হয়ে যায়।


চৌহদ্দিটোলার বাসিন্দা আয়েশা বেগম নামে আরেক অভিভাবক বলেন, আমরা ভীষণ অনিরাপত্তার মধ্যে রয়েছি। গত রাতে মোবাইল চুরি হয়েছে। আমাদের যে শিশু চুরি হয়ে যাবে না –এর নিশ্চয়তা কী। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা গ্রহন করছে না। 


হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মুহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, হাসপাতালে রোগীর চাপ অনেক বেশি। চিকিৎসক-নার্সদের চিকিৎসা দিতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। এত রোগীর চাপে দুই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটতে পারে এটা অস্বাভাবিক নয়। আমরা আমাদের দিক থেকে আরও সতর্ক থাকবো। তবে রোগীর স্বজনদেরও বলবো যে তারা যেন মোবাইল ফোন, টাকাসহ অন্যান্য জিনিস নিজ হেফাজতে রাখেন।