রাজশাহীতে স্বল্পমূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু
আসন্ন পবিত্র ইদ-উল-আযহা উপলক্ষে সোমবার (১১ মে) থেকে রাজশাহী মহানগর ও জেলায় স্বল্পমূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে। এদিন বেলা ১১টা থেকে নগরীর বিভিন্নস্থানে খোলা ট্রাকে এসব পণ্য বিক্রি করা হয়।
টিসিবির রাজশাহী অফিস প্রধান আতিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রতি কেজি ৭০ টাকা মসুর ডাল, প্রতি লিটার ১৩০ টাকা দরে সয়াবিন তেল, ১ কেজি চিনি ৮০ টাকা দরে বিক্রি করা হবে। তবে সবগুলো পণ্যের প্যাকেজ মূল্য ৪৮০ টাকা। শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন এসব পণ্য কিনতে পারবেন গ্রাহকরা। রাজশাহীতে প্রতিদিন ১৫টি ট্রাকে ৬ হাজার গ্রাহক পণ্য কিনতে পারবেন।
এদিকে, টিসিবির পণ্য কিনতে ভীড় জমাচ্ছেন নিম্নআয়ের মানুষ। বাজারের তুলনায় দাম কম হওয়ায় টিসিবির পণ্য কিনছেন তারা। তবে লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে। দীর্ঘ সময় লাইনের অপেক্ষায় থাকতে গিয়ে বয়স্কদের অনেকেই অসুস্থ হয়েও পড়ছেন।
এদিকে রাজশাহীর বাঘায় টিসিবি’র ট্রাক সেল্স পণ্য বিক্রির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শাম্মী আক্তার। সোমবার (১১ মে) দুপুর ১২টায় উপজেলা চত্বরে এর উদ্বোধন করা হয়।
জানা গেছে, নিলা ভ্যারাটি স্টোরের পক্ষে উপজেলা চত্বরে দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টিসিবি পন্য বিক্রয় করেন। আসন্ন ইদুল আজহা উপলক্ষে ট্রাকে করে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি করেন ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)’র দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিলার।
ভ্রাম্যমাণ ট্রাক থেকে ভর্তুকি মূল্যে একজন ক্রেতা দুই লিটার ভোজ্যতেল, এক কেজি চিনি ও দুই কেজি মসুর ডালসহ তিন ধরনের পণ্যের প্যাকেজ ক্রয় করেন সাধারণ ক্রেতারা। এর মধ্যে প্রতি লিটার ভোজ্যতেল ১৩০ টাকা, এক কেজি চিনি ৮০ টাকা ও দুই কেজি মসুর ডাল ১৪০ টাকা দরে বিক্রি করা হয়। সব পণ্য একসঙ্গে ৪৮০ টাকায় ক্রেতারা ক্রয় করেন।
আয়োজিত টিসিবি’র ট্রাক সেল্স পণ্য বিক্রির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) সাবিহা সুলতানা ডলি, পণ্য বিক্রির ট্যাগ অফিসার ও উপজেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা মুনসুর আলী, নিলা ভ্যারাটিজ স্টোরের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রোপাইটর নুরুজ্জামানসহ স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাম্মী আক্তার বলেন, সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে টিসিবি’র ট্রাক সেল্স পণ্য বিক্রি হয়েছে।
এ বিষয়ে টিসিবি’র রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আতিকুর রহমান বলেন, রাজশাহী জেলা ও মহানগরীতে প্রতিদিন ১৫টি স্থানে ট্রাকে করে পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে। এরমধ্যে মহানগরীর ১০টি স্থানে এবং উপজেলায় পাঁচটি স্থানে। প্রতিদিন ৬ হাজার পরিবারকে এই পণ্য ক্রয় করবেন।