বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমীর ৫২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন
এ বছর বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (আরডিএ) ৫২তম বছরে পদার্পণ করলো। এ লক্ষে শুক্রবার (১৯ জুন) দিনব্যাপী নানা কর্মসূচীর অংশ হিসে শুরুতে একাডেমীর প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা প্রধান ফটক এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রা শেষে কেক কেটে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়।
পরে একাডেমীর অডিটোরিয়ামে সর্বস্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে “একাডেমীর প্রতিষ্ঠা ও কার্যক্রম বিষয়ক সেমিনার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানগুলোতে উপস্থিত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন একাডেমীর মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মো. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক ও তাঁর সহধর্মিণী ফারজানা ফেরদৌসী। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন একাডেমীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমী, গোপালগঞ্জ আরডিএ’র ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন; আরডিএ, বগুড়ার সাবেক ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. এম এ মতিন; সাবেক পরিচালক ড. একেএম জাকারিয়া; সাবেক পরিচালক ড. মো. আব্দুর রশীদসহ একাডেমীর অনুষদ সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন স্তরের কর্মচারীবৃন্দ। বাদ জুম্মা একাডেমীর জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালের এই দিনে জাতীয় সংসদে ১০ নং আইন প্রণয়নের মাধ্যমে পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (আরডিএ), বগুড়া তার যাত্রা শুরু করে। আরডিএ প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো স্বাধীনতাউত্তর বাংলাদেশের বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সার্বিক জীবনমান উন্নয়ন ও দারিদ্র হ্রাসকরণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, গবেষণা, প্রয়োগিক গবেষণা ও পরামর্শ সেবা প্রদান করা।
প্রতিষ্ঠালাভের পর থেকে একাডেমী হতে বিভিন্ন বিষয়ের উপরে ৭ লক্ষের অধিক জনগোষ্ঠী এই প্রতিষ্ঠান হতে প্রশিক্ষণ লাভ করেছে; পল্লী উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উপরে ৫০০ এর অধিক গবেষণা কর্ম সম্পন্ন করা হয়েছে; ৫৪ টি এর অধিক প্রায়োগিক গবেষণা সম্পন্ন করা হয়েছে এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য ২০০ এর অধিক পরামর্শ সেবা প্রদান করা হয়েছে।
আরডিএ, তার পথপরিক্রমায় উপমহাদেশের স্বনামধন্য পল্লী উন্নয়নের পথিকৃৎ ড. আখতার হামিদ খানসহ বিভিন্ন বিদগ্ধ ব্যক্তিবর্গের দ্বারা পরামর্শ পেয়েছে ও পরিচালিত হয়েছে এবং সময়ের সাথে সাথে আরডিএ আরো সমৃদ্ধ হয়েছে।