বাঘায় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা

আমানুল হক আমান, বাঘা:
রাজশাহীর বাঘায় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। জলাবদ্ধতার কারণে শত শত বাড়ি ও আবাদি জমিতে আবাদ করতে পারছে না। স্থানীয়রা বিভিন্নস্থানে লিখিত অভিযোগ করেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এ সব জমিতে কৃষকরা কোন ফসল ফলাতে পারছেন না।
জানা গেছে, বাঘা উপজেলার বারখাদিয়া, নওটিকা, আরিফপুর, আমোদপুর, খুদে ছয়ঘটি, জোতরাঘব, চন্ডিপুর, আটটিকা, অমরপুর, পাকুড়িয়া, মনিগ্রাম, বাউসা ইউনিয়নের তেঁথুলিয়া, গড়গড়ি, আড়ানী ইউনিয়নের ঝিনা, বেড়েরবাড়ি, হরিপুর এলাকায় শত শত বাড়ির আঙ্গিনায় এবং আবাদি জমিতে পানি জমে আছে।
বদ্ধ পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় কৃষকরা ফসল ফলাতে পারছে না। যে সব জমিতে আগে এক বছরে তিন ধরনের ফসল উৎপাদন হতো। বর্তমানে জলাবদ্ধতার কারণে তা হচ্ছে না।
বাউসা গ্রামের রগন কুমার, বারখাদিয়া গ্রামের রবিউল ইসলাম, জোতরাঘব গ্রামের চঞ্চল মাহমুদ বলেন, বর্তমানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় যেভাবে পানি জমে আছে, তা নদীর সাথে ড্রেন করে অতিসত্ত্বর পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা দরকার। আর তা না হলে যতটুকু আবাদি জমি রয়েছে, সেটুকু সারা বছর জলাবদ্ধতায় থাকবে।
বাঘা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনের বিষয়ে সমন্বয় সভায় অবগত করা হয়েছে।
আড়ানী মাস্টারপাড়া মহল্লার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আবদুল হান্নান বলেন, অতিবৃষ্টির কারণে মাস্টারপাড়া এলাকায় প্রায় দুই মাস যাবত শতাধিক বাড়ির আঙ্গিনায় পানি জমে আছে। কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হলেও এর ব্যবস্থা নেয়নি। এতে খুব সমস্যার মধ্যে বসবাস করছি।
বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী আক্তার বলেন, কিছু জায়গায় জলাবদ্ধতা নিরসন করা হয়েছে। বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষ ও কৃষি মন্ত্রণালয়কে অবগত করা হয়েছে।