রবিবার, আগস্ট ২৩, ২০২৬

রাবিতে শিক্ষকদের লাঞ্ছিতের ঘটনায় প্রাধ্যক্ষ পরিষদের নিন্দা

WP Import ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১০:৪০ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
WP Import ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১০:৪০ অপরাহ্ন

রাবি প্রতিবেদক:


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পোষ্যকোটা বিরোধী আন্দোলন চলাকালে উপ-উপাচার্যসহ কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিতের ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে রাবি প্রাধ্যক্ষ পরিষদ। পাশাপাশি এই ঘটনার সাথে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) প্রাধ্যক্ষ পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক শারমিন হামিদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২০ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) দাপ্তরিক কার্যক্রম সমাপ্ত করে নিজ বাসভবনে রওনা দেন। কিন্তু উশৃঙ্খল ছাত্ররা তাঁর বাসভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে সেটি বন্ধ করে দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বাসভবন ও ক্লাব হিসেবে পরিচিত জুবেরী ভবনে আশ্রয় গ্রহণের উদ্দেশ্যে রওনা হন। জুবেরী ভবনে যাওয়ার পথে উশৃঙ্খল ছাত্ররা তাঁকে নিয়ে বিভিন্ন অশালীন কটুক্তি করে, শারীরিকভাবে ধস্তাধস্তি ও লাঞ্ছিত করে। এ সময় উপ-উপাচার্য মহোদয়ের সঙ্গে থাকা প্রক্টর, প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য, অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ ও ব্যক্তিগত সহকারীও শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার শিকার হন।

পরবর্তীতে উপ-উপাচার্য মহোদয় জুবেরী ভবনের দোতলার একটি কক্ষে আশ্রয় নিতে গেলে তাঁকে পুনরায় শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়; এমনকি তাঁর গলা চেপে ধরা হয় এবং ধাক্কা মেরে সিঁড়িতে ফেলে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে জুবেরী ভবনেরে ঐ কক্ষে উপ-উপাচার্য মহোদয়সহ বেশ কয়েকজন শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। উশৃঙ্খল ছাত্ররা তাদের দাবির পক্ষে ঘোষণা দেওয়ার জন্য শিক্ষকদের মাত্র ১০ মিনিট সময় বেঁধে দেয়। একপর্যায়ে তারা উক্ত কক্ষে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে এবং খাবার পানির সরবরাহও বন্ধ করে দেয়।

এই লাঞ্ছিতের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যে সকল ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছে আবাসিক ভবনে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈরী সম্পর্ক সৃষ্টির মতো ঘৃণ্য ও হীন কর্মকা-ে জড়িত রয়েছে-তাদের এ ন্যাক্কারজনক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রোভস্ট কাউন্সিল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে। একই সঙ্গে কাউন্সিল সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সুপারিশ করছে।