সোমবার, আগস্ট ২৪, ২০২৬

রাজস্থানের স্কুলে খবরের কাগজ পড়া বাধ্যতামূলক

সোনার দেশ ডেস্ক ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:৫১ অপরাহ্ন আন্তর্জাতিক
সোনার দেশ ডেস্ক ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:৫১ অপরাহ্ন
রাজস্থানের স্কুলে খবরের কাগজ পড়া বাধ্যতামূলক
ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত

রাজ্য সরকারি স্কুলগুলিতে খবরের কাগজ পড়া এবং পড়ানো বাধ্যতামূলক করল রাজস্থান সরকার। কিছু দিন আগে উত্তরপ্রদেশ সরকার এই পদক্ষেপ করেছিল। এ বার রাজস্থান সরকারের তরফে নির্দেশিকা জারি করে জানিয়ে দেওয়া হল, প্রতিটি স্কুলে অন্তত দু’টি করে দৈনিক কিনতে হবে। ছাত্রছাত্রীদের সেই কাগজ পড়তে দিতে হবে এবং পড়ে শোনাতে হবে। প্রতি দিনের খবর নিয়ে আলোচনাও করতে হবে নিয়মিত।

রাজস্থান সরকারের শিক্ষা দফতর থেকে গত ৩১ ডিসেম্বর নতুন নির্দেশিকাটি জারি করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, স্কুলের শুরুতে প্রতি দিন ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের যে জমায়েত হয়, সেখানে অন্তত ১০ মিনিট সময় দিতে হবে খবরের কাগজ পড়ার জন্য। মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক স্কুলগুলিতে হিন্দি এবং ইংরেজি ভাষার দু’টি করে দৈনিক রাখতেই হবে। উচ্চপ্রাথমিক স্কুলে অন্তত দু’টি হিন্দি দৈনিক থাকবে। ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। খবরের কাগজের খরচ বহন করবে জয়পুরের রাজস্থান স্কুলশিক্ষা সংসদ।

খবরের কাগজ পড়ার নির্দেশিকার মূলে একাধিক লক্ষ্যের কথা জানিয়েছে রাজস্থান সরকার। ছাত্রছাত্রীদের শব্দের ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করা, পড়ার অভ্যাস তৈরি করা এবং আশপাশের ঘটনাবলি সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান তৈরি করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এ ছাড়া, পারিপার্শ্বিক সম্পর্কে পড়ুয়াদের জ্ঞান বাড়িয়ে আগামী দিনে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য তাদের প্রস্তুত করারও সরকারের ভাবনায় রয়েছে।

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, স্কুলগুলিতে প্রতি দিনের কাগজ থেকে অন্তত পাঁচটি করে নতুন শব্দ খুঁজে বার করবেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। তার পর সেই শব্দের অর্থ ছাত্রছাত্রীদের কাছে ব্যাখ্যা করবেন। এতে তাদের ভাষার দক্ষতা বাড়বে। প্রতি দিন সকালে স্কুলে একটি করে জাতীয় সংবাদপত্র ছাত্রছাত্রীদের পড়ে শোনাতে বলা হয়েছে। শুধু রাজনীতি বা প্রতি দিনের ঘটনা নয়, খেলার খবরও পড়তে হবে ছাত্রছাত্রীদের। খেয়াল রাখতে হবে আন্তর্জাতিক খবরাখবরেও। এ ছাড়া, একটু বড় বয়সের ছাত্রছাত্রীদের সম্পাদকীয় পাতার খবর পড়াতে বলা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ সরকারের শিক্ষা দফতর থেকেও একই ধরনের নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন