মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬
নেই যাত্রী ছাউনী ও গণ শৌচাগার, দূর্ভোগে যাত্রী

দুর্গাপুরে নেই নির্দিষ্ট যানবাহন স্ট্যান্ড

দুর্গাপুর প্রতিনিধি ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ০৭:১৩ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
দুর্গাপুর প্রতিনিধি ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ০৭:১৩ অপরাহ্ন
দুর্গাপুরে নেই নির্দিষ্ট যানবাহন স্ট্যান্ড

রাজশাহী দুর্গাপুরে দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর থেকে জেলা শহরে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে আছে। ভটভটি নছিমন গাড়ীর কারণে যাত্রীর অভাবে বন্ধ হয়ে যায় বাস চলাচল। এর পর টিভিএস, সিএনজি ও অটো রিক্সা গাড়ী সেই স্থান দখল করে নেয়। ফলে সব মিলিয়ে চলছে দুর্গাপুর হতে বিভিন্ন স্থানে যাত্রীদের যাতায়াতের এক মাত্র তিন চাকার যানবহন সিএনজি ও আটো রিক্সা।

  

অভিযোগ উঠেছে সেই গাড়ী গুলোর সুনির্দিষ্ট স্ট্যান্ড ও যাত্রী ছাউনী না থাকায় বিভিন্ন রুটে যাতায়াতকারী পথচারীদের পড়তে হচ্ছে নানা বিড়ম্বনায় ও জনদূর্ভোগে। দুর্গাপুর উপজেলায় সিএনজি ও আটো রিক্স যানবহনের নির্দিষ্ট কোন বাসষ্ট্যান্ড নেই, নেই কোন যাত্রী ছাওনী ও গণ শৌচাগার। এমনকি বৃষ্টি হলে দাঁড়ানোর কোন স্থান না থাকায় সিএনজি গাড়ী দাড়িয়ে থাকার অস্থায়ী স্থানের পাশ্বে বিভিন্ন দোকান ঘরের নিচে আশ্রয় নিতে হয় যাত্রীদের। ফলে অনেক দোকান মালিকরাও অনেক সময় বিরক্ত হন।


দুর্গাপুর বাজার হতে প্রতিদিন শতশত যাত্রীরা শিবপুর,বানেশ্বর হয়ে জেলা শহরে গিয়ে রাজধানী ঢাকা, চট্রগ্রাম, বগুড়া, রংপুর, সিরাজগঞ্জ, যশোহর, খুলনা, কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন পান্তরে চলাচল করে থাকেন। কিন্তু এখানে যাত্রীদের কোন প্রকার স্ট্যান্ড, যাত্রী ছাউনি ও পাবলিক টয়লেট কোনো কিছুই নেই। নেই তাদের নিজস্ব জায়গাও। সুনিদিষ্ট জায়গার জন্য উদ্যোগ নেয়নি কেউ। 


এদিকে অভিযোগ উঠেছে ব্যস্তÍতম স্থান সিংগা হাট মুখ, সিংগা মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ট্রেনিং সেন্টার গেইট সিএনজি স্ট্যান্ড হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে উপজেলা বিভিন্ন এলাকা থেকে সিংগা হাটে মালামাল নিয়ে বিক্রয়ের জন্য বাজারে প্রবেশ পথে পড়তে হচ্ছে যানজট ও বিড়ম্বনায়।


অন্যদিকে সিংগা মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছোট কোচিকাঁচা ছেলে মেয়েরা পড়ছেন শব্দদৃর্ষণ ও দুর্ষিত ধুয়ার কবলে। এমনকি তাদের স্কুল গেটের সামনে এলোপাতাড়ি ভাবে গাড়ি রেখে যাত্রী উঠা নামা করায় তাদের নানান সম্যসা প্রহাতে হয়। এক দিকে যেমন লেখা পড়া বিড়ম্বনায় হচ্ছে অপরদিকে দুর্ঘটনার কবলিত হতে হয় শিক্ষার্থীদের।

 

দুর্গাপুর অস্থায়ী যাত্রী স্ট্যান্ডে অপেক্ষমান দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন যাত্রীর সাথে কথা বলা হলে তারা জানান, অন্তত ১৬ বছর হতে সিএনজি ও অটো গাড়ীতে চলাচল করছেন তারা। চলাচলকৃত ওই সকল গাড়ীর নির্দিষ্ট কোন বাস স্ট্যান্ড নেই। যার কারেন যাত্রীদের প্রতিনিয়তো দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে।

 

স্থানীয় প্রশাসনকে যাত্রীর নিরাপত্তার দিক বিবেচনা করে নির্দিষ্ট স্থানে স্ট্যান্ড ও যাত্রী ছাউনীর পরিবেশ গ্রহন করার দরকার বলে মানে করেন তারা। তারা অভিযোগ করেন স্ট্যান্ড ও যাত্রী ছাউনি না থাকায় যাত্রীরা মেন রাস্তায় ঝুকি নিয়ে উঠা নামা করতে হচ্ছে। আর এই কারনে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটটে পারে বলে মানে করেন তারা।

 

এবিষয়ে সিংগা মর্ডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাক্তিবুল ইসলাম জানান, স্কুল গেটে সকল প্রকার গাড়ীর অস্থায়ী স্ট্যান্ড করার প্রতিনিয়ত তাদের ছোট কোচিকাচা বাচ্চাদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন। প্রায় সময় দুর্ঘটনার শিকার হতে হয় বাচ্চাদের। সবসময় শিক্ষকদের গেটের সামেন অবস্থান নিয়ে থাকতে হয়।

 

এবিষয়ে সিএনজি স্ট্যান্ডে দায়িত্বরত স্ট্যান্ড মাষ্টার জানান, স্ট্যান্ড করারমত যায়গা না পাওয়ার কারনে তারা বাধ্য হয়ে সড়কের পাশে গাড়ী রেখে যাত্রী উঠানামার কাজ করচ্ছে। তারা নিদিষ্ট জায়গায় স্ট্যান্ড করার চেষ্টায় আছেন বলে জানান। এদিকে দুর্গাপুর উপজেলাবাসী ও পথচারীরা নির্দিষ্ট স্থানে সিএনজি ষ্ট্যান্ড স্থাপন, যাত্রী ছাউনী ও গনশ্যৈচাগার নির্মানের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।