ক্ষমতায় গেলে পদ্মা নদী খনন করতে চাই: তারেক রহমান
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জিয়াউর রহমানের হাত ধরে শুরু হওয়া বরেন্দ্র প্রকল্প খালেদা জিয়ার শাসনামলে আরও বড় হয়েছিল, কিন্তু বরেন্দ্র প্রকল্প আজ বন্ধ। ক্ষমতায় গেলে এই প্রকল্প চালু করতে চাই, খাল খনন করতে চাই, পদ্মা নদী খনন করতে চাই।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন। এদিন দুপুর আড়াইটায় বক্তব্য দেওয়া শুরু করেন। শেষ করেন দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে রাজশাহী অঞ্চলের মানুষের জন্য কী কী করবেন সে কথাও বলেন।
ফারাক্কা ব্যারাজের বিপরীতে পদ্মা ব্যারাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, পদ্মা ব্যারেজ হলে সবাই সুবিধা ভোগ করবে। সেই সঙ্গে রাজশাহীর আমের জন্য হিমাগার করা এবং কর্মসংস্থান তৈরি করার কথাও বলেন তারেক রহমান। নির্বাচনে জয় পেয়ে ক্ষমতায় গেলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
তিনি বলেন, দেশ গণতন্ত্রের দিকে নাকি অন্য দিকে যাবে? ১২ তারিখে দেশের মানুষকে সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। গণতন্ত্র ধরে না রাখতে পারলে মেগা প্রকল্প, জনগণের প্রকল্প হবে না। যেকোনো মূল্যে গণতন্ত্রের ঝান্ডা ধরে রাখতে হবে।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি শান্তিতে বিশ্বাস করে, ঝগড়া ফ্যাসাদে যেতে চায় না। সেজন্য আমি কারও সমালোচনাও করছি না। আমি যদি কারো সমালোচনা করি, তবে কারো লাভ হবে? পেট ভরবে?
কোথাও কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে সুষ্ঠু তদন্ত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। সঠিক তদন্ত করে দেশের আইন অনুযায়ী বিচার করার আহ্বান জানান তারেক রহমান।
তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন যাতে কেউ বানচাল করতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকুরন, সজাগ থাকুন।
তারেক রহমান বলেন, বিগত ১৬ বছর আমরা কয়েকটি তথাকথিত নির্বাচন দেখেছি নিশিরাতের নির্বাচন দেখেছি, গায়েব নির্বাচন দেখেছি, দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেন। পেরেছিলেন আপনারা? পারেননি আপনারা ভোট দিতে। তারা চলে গেছে যারা ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, আরেকটি মহল ষড়যন্ত্র শুরু করছে। ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে। কিভাবে এই নির্বাচনকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যায়, কিভাবে বাধাগ্রস্ত করা যায়।
এজন্য পুরো উত্তরাঞ্চলের প্রত্যেকটি আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান বিএনপির চেয়ারম্যান।