‘ঘুষ দাবি‘: অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মাহফুজুর বরখাস্ত
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন করা নিয়ে ‘ঘুষ দাবির’ প্রমাণ পাওয়ায় চাকরি গেল ফরিদপুরের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমানের।
মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে।
সাময়িক বরখাস্ত থাকা ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল একজনের এনআইডিতে বয়স কমিয়ে সংশোধনের জন্য দুই লাখ টাকা ‘ঘুষ’ দাবি করেছিলেন তিনি। পরে কাজটি করে দেওয়ার জন্য তা এক লাখ ৭০ হাজার টাকায় রফা হয়েছিল।
ইসি সচিব আখতার আহমেদের স্বাক্ষরে প্রকাশ করা প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, ফরিদপুরের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা (সাবেক গোপালগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা) এনআইডি সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশনা অমান্য করে এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে একজনের জন্ম তারিখ সংশোধনের (১০ বছর হ্রাস) জন্য আবেদনকারীকে শুনানিতে ডেকে ওই টাকা দাবি করেন। পরে আবেদনকারি রফা হওয়া ওই টাকা না দেওয়ায় তিনি আবেদনটি বাতিল করেন। আবেদনকারী সংক্ষুব্ধ হয়ে অবৈধ অর্থ দাবির অডিও রেকর্ড সংযুক্ত করে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।
ইসি ওই অভিযোগ প্রাথমিক তদন্তের জন্য দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। সেটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিভাগীয় মামলা করা হয়। পরে শুনানি ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়াসহ সব প্রক্রিয়া শেষে তাকে ‘গুরুদণ্ড’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয় বলে প্রজ্ঞাপনে তুলে ধরা হয়।
এতে বলা হয়, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তাকে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে চাকুরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
এদিকে বিনা অনুমতিতে দুই মাস অনুপস্থিতির কারণে ফয়সল মিয়া নামে বিয়ানীবাজার নির্বাচন কার্যালয়ের এক অফিস সহকারীকে চাকরি থেকে অপসারণ করেছে ইসি সচিবালয়।
তথ্যসূত্র: বিডিনিউজ