সোমবার, জুন ২২, ২০২৬

নির্বাচিত হলে নগরীর প্রত্যেক নাগরিকের সকল সুবিধা নিশ্চিত করা হবে: মেজবা

নিজস্ব প্রতিবেদক ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৪৭ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
নিজস্ব প্রতিবেদক ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৪৭ অপরাহ্ন
নির্বাচিত হলে নগরীর প্রত্যেক নাগরিকের সকল সুবিধা নিশ্চিত করা হবে: মেজবা

ভোটের মাঠে বিএনপির ধানের শীষ ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাড়িপাল্লার পক্ষে লোকজন ভারি হলেও নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অন্যান্য দলের প্রার্থীরাও বসে নেই। বিজয়ের লক্ষে ভোটারদের মন পেতে প্রচারনা ও গণসংযোগে জোরেশোরে এগিয়ে চলেছে। 


এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে নগরীর নিউমার্কেটসহ আশেপাশের এলাকায় গণসংযোগ করেছেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির মনোনীত আনারস প্রতিকের প্রার্থী মেজবাউল ইসলাম মেজবা। তিনি বাংলাদেশ লেবার পার্টির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর লেবার পার্টির সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন। 


মেজবাউল ইসলাম মেজবা বলেন, লেবার পার্টির মূলনীতি সুস্থ ধারার রাজনীতি। আমি বিজয়ী হলে শিক্ষা নগরীতে মৌলিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত শিক্ষার উন্নয়নে মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করবো। নগরীর প্রত্যেক নাগরিকের সকল সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।


রাজশাহী আইটি পার্ককে একটি বিশাল কর্মসংস্থান হাব হিসেবে পরিণত করা এবং প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ ভাবে প্রায় ২ লাখ যুবকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার চেষ্টা করবো। সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ সকল সরকারি-বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করা এবং স্বাস্থ্যখাতের কমিশনভোগী সিন্ডিকেট নির্মূল করবে।


তিনি বলেন, মধ্যস্বত্বভোগীদের সিন্ডিকেট থেকে কৃষকদের রক্ষা করা এবং তাদের প্রাপ্য প্রতিদান নিশ্চিত করা, নারীদের নিরাপত্তা-সুরক্ষা নিশ্চিত করতে একটি সেল গঠনও করবো। ক্রীড়া অঙ্গনে বিকশিত করার লক্ষ্যে সকল স্টেডিয়াম গুলোর সংস্কার, খেলোয়াড়দের অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের নিজেদের পরিচয় তুলে ধরা হবে। 


এই প্রার্থী বেেলন, এমনকি শুধুমাত্র আম রফতানি নয়, জ্যাম, জেলি, আচার, আমস্বত্ব, জুস তৈরিতে শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে বিশ্বদরবারে তা রফতানির ব্যবস্থা করবেন। রাজশাহীর রেশম শিল্পকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীতকরণ ও রেশম পণ্য রফতানির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবেন। 


তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হলে ওয়ার্ডভিত্তিক কমিটি গঠন করে প্রতি দুই মাসে অন্তত একটি সভা আয়োজন করে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কার্যক্রমের অগ্রগতির বিষয়ে পর্যালোচনা করা এবং প্রতিটি বিষয় জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।