মঙ্গলবার, আগস্ট ২৫, ২০২৬

নওগাঁ ৩-আসনে ফজলে হুদা বাবুলকে ভালোবাসার মূল্য ব্যালটের মাধ্যমে ফেরত দিলেন ভোটাররা

বদলগাছী (নওগাঁ) প্রতিনিধি ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:৫৬ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
বদলগাছী (নওগাঁ) প্রতিনিধি ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:৫৬ অপরাহ্ন
নওগাঁ ৩-আসনে ফজলে হুদা বাবুলকে ভালোবাসার মূল্য ব্যালটের মাধ্যমে ফেরত দিলেন ভোটাররা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ ৩Ñ (বদলগাছী- মহাদেবপুর) আসনে ফজলে হুদা বাবুল (ধানের শীষ) ৭০৩৫২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাওলানা মো, মাহফুজুর রহমান (দাঁড়িপাল্লায় পেয়েছেন) ৪৩৯০১ ভোট। ২৬৪৫১ ভোট বেশী পেয়ে নির্বাচিত হন ফজলে হুদা বাবুল।


বিজয়ের উল্লাসে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদী চৌধুরী টিপু, সিনিয়র সহসভাপতি জাকির হোসেন চৌধুরীসহ নেতা কর্মিরা বলেন বাবুল দীর্ঘ ১৭ বছর বিগত সরকারের জোর জুলুম মিথ্যা মামলা মোকাবেলা করে নেতা কর্মি নিয়ে বিএনপির হাল ধরে ছিলেন। একাধিক মিথ্যা মামলায় নেতাকর্মি গ্রেপ্তার হয়েছে, জেল খেঁটেছে। কোন নেতাকর্মিকে অর্থ খরচ করতে হয়নি। সব সময় নেতা কর্মিদের পাশে থেকে একা নিজ হাতে সব ট্যাকেল দিয়েছে।


কোন পরিবার বুঝতে পারেনি তার পরিবারের কেউ হাজতে আছে কোর্টে যেতে হবে, উঁকিল ধরতে হবে এমন টেনশন কখনো কাউকে পোহাতে হয়নি। সব দিক সামাল দিয়ে ধলের হ্যাল ধরেছিল ফজলে হুদা বাবুল। বাবুল ২০১৮ সালের নির্বাচনে দলের মনোনয়ন চেয়ে পায়নি। শত দুঃখ কষ্টের বোঝা মাথায় নিয়েও কখনো সে দুর্বল হয়নি। নেতাকর্মিদের সাথে নিয়ে আনাচে কানাচে ঘুরে বেড়িয়েছে বিএনপি দল পূনর্গঠনে।


ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বাবুল মনোনয়ন পেলেও নিভাতে পারেনি নিজ পরিবারে বিদ্রোহের দাবানল। তবুও সে দুর্বল হয়নি। নেতাকর্মি ও সাধারণ  জনগনকে সাথে নিয়ে নির্বাচনী প্রচারনায় নেমে পড়েন। নিজ দলের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবকে ডেপুটি স্পীকার আকতার হামিদের ছেলে পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি কলস নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনী প্রচারণায় শক্ত অবস্থানে ছিল দাঁড়িপাল্লা নিয়ে মাওলানা মো, মাহফুজুর রহমান। নওগঁ ৩- আসনে মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।


সব বাঁধা পেরিয়ে বাবুল ২৬৪৫১ বেশী পেয়ে নির্বাচিত হন। বিজয় নিয়ে দলের একাধীক নেতাকর্মির সঙ্গে কথা বললে তারা জানান দুরদিনে বাবুল ভাই নেতাকর্মিদের বিপদে আপদে পাশে থেকে যে ভালোবাসা দিয়েছে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নেতাকর্মি সহ সাধারণ জনগন তাঁর ভালোবাসা ব্যালটের মাধ্যমে ফেরত দিয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি। ঐ নেতাকর্মিরা আরো জানান আমাদের দায়িত্ব ছিল তাকে নির্বাচিত করা। সেটা আমরা করেছি এখন তাঁকে দেখতে চাই মন্ত্রী পরিষদের যোগ্য কোন দপ্তরে। এই দাবী কেন্দ্রীয় বিএনপির নীতি নির্ধারকদের কাছে সাধারণ জনগনের।