মঙ্গলবার, আগস্ট ২৫, ২০২৬

রাজশাহীতে ভোট যুদ্ধের বাইরেও সৌজন্যের রাজনীতি

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:১৯ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
নিজস্ব প্রতিবেদক ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:১৯ অপরাহ্ন
রাজশাহীতে ভোট যুদ্ধের বাইরেও সৌজন্যের রাজনীতি

রাজশাহীতে ভোট যুদ্ধের বাইরেও সৌজন্যের রাজনীতি লক্ষ্য করা গেছে। এতে করে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই শেষে সৌহার্দ্য ও সৌজন্যমূলক রাজনীতির এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। 


নির্বাচনী উত্তাপ কাটিয়ে বিজয়ী ও পরাজিত দুই প্রার্থী ও নেতাকর্মীরা গণতান্ত্রিক চেতনার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে। বিজয়ী ও পরাজিত প্রাথী ও নেতাকর্মীরা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। 


রাজশাহী সদর-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মিজানুর রহমানকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরী নেতৃবৃন্দ। শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টায় তাঁর নিজ বাসভবনে গিয়ে এ শুভেচ্ছা জানান তারা।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর এডভোকেট আবু মোহাম্মদ সেলিম, সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মন্ডল, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মো. মাহবুবুল আহসান বুলবুল, অধ্যক্ষ মো. শাহাদাৎ হোসাইন, সাংগঠনিক সেক্রেটারি জসিম উদ্দিন সরকারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই শেষে সৌহার্দ্য ও সৌজন্যমূলক রাজনীতির এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। নির্বাচনী উত্তাপ কাটিয়ে বিজয়ী ও পরাজিত দুই প্রার্থীই গণতান্ত্রিক চেতনার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে।


বিএনপি মনোনীত বিজয়ী প্রার্থী অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলনকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান জামায়াতে ইসলামীর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টায় হড়গ্রাম ইউনিয়নের আদাড়িয়া পাড়ায় অধ্যাপক আজাদের নিজ বাসভবনে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।


এ সময় উভয় নেতা একে অপরকে মিষ্টিমুখ করান এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করেন। নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষে এমন সৌজন্যমূলক আচরণ রাজশাহী-৩ আসনে রাজনৈতিক সম্প্রীতির নতুন বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা, পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে এ আসনে টেকসই উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।


এসময় জামায়াত নেতা অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, মিলন আমার ছোট ভাই। দীর্ঘদিন আমরা একসঙ্গে গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলাম। নির্বাচনে জয়-পরাজয় থাকবেই। তিনি জনগণের রায়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাই রাজশাহী-৩ আসনের উন্নয়নে আমি সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো, ইনশাআল্লাহ।


বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন বলেন,“নির্বাচন গণতন্ত্রের উৎসব। মতপার্থক্য থাকলেও আমাদের লক্ষ্য এক-জনগণের কল্যাণ। রাজশাহী-৩ আসনের উন্নয়নে সকলের মতামত ও সহযোগিতা নিয়ে কাজ করতে চাই।”


তিনি আরও বলেন,“ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা দিয়েছে। জেলা ও মহানগরের আদলে রাজশাহী-৩ আসনের উন্নয়ন করা হবে। কালাম ভাই একটানা ২৮ বছর হড়গ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন।


তাঁর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে চাই। বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নির্দেশনায় আগামী বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবো।”


এর আগে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে অধ্যাপক আজাদ বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানিয়ে লিখেন,“রাজশাহী-৩ আসনে বিজয়ী হওয়ায় অ্যাড. শফিকুল হক মিলন ভাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। বিজয় কেবল আনন্দের মুহূর্ত নয়, এটি বিশ্বাস রক্ষার গুরুদায়িত্ব।


জনগণের আশা যেন বাস্তবে রূপ পায়-এই প্রত্যাশাই রাখি। আমার সামান্য সহযোগিতাও যদি কাজে লাগে, সেটাই হবে বড় প্রাপ্তি। আমরা সবসময় জনকল্যাণে গঠনমূলক ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবো।”


স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা এ ঘটনাকে ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন। পবা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রাজ্জাক বলেন,“রাজনীতিতে সৌজন্য ও সহমর্মিতা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। এমন শুভেচ্ছা বিনিময় রাজনৈতিক সম্প্রীতির বার্তা বহন করে।”


উল্লেখ্য, রাজশাহী-৩ আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ধানের শীষ প্রতীকে অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাড়িপাল্লা প্রতীকে অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ পান ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯২৭ ভোট।


অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী (ফুটবল) হাবিবা পান ১ হাজার ১৭৭ ভোট, জাতীয় পার্টির (লাঙ্গল) আফজাল হোসেন পান ২ হাজার ৩৯০ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (হাতপাখা) ফজলুর রহমান পান ১ হাজার ১৫৪ ভোট এবং আমজনতার দলের (প্রজাপতি) সাইদ পারভেজ পান ২৯৫ ভোট।


রাজশাহী-৫ (দুর্গাপুর-পুঠিয়া) আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর মনোনয়নে সদ্য নির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডলকে সৌহার্দ্যপূর্ণ সাক্ষাৎ করে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র দলীয় প্রার্থী মাওলানা মনজুর রহমান।


এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন জামায়াতের জেলা সহকারী অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ও নির্বাচন মনিটরিং কমিটির প্রধান মুহাম্মদ নুরুজ্জামান লিটন।


শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডলকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান দলের জেলা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।


উল্লেখ্য, সদ্য অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন জামায়াত নেতা মাওলানা মনজুর রহমান। অপরদিকে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন নিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল।


যদিও এই আসনে বিএনপির আরও দুইজন প্রভাবশালী নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, তবু ভোটের ব্যবধানে জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রার্থী মাওলানা মনজুর রহমানই ছিলেন নবনির্বাচিত এমপির নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী। ভোটের অনুপাতে বিএনপির ওই দুই বিদ্রোহী প্রার্থী তাঁর ধারেকাছেও ছিলেন না।


জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন প্রসঙ্গে জানা যায়, প্রথমে জেলা জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি নুরুজ্জামান লিটনকে মনোনয়ন দেওয়া হলেও পরবর্তীতে সাংগঠনিক কারণ ও কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে প্রার্থী পরিবর্তন করে মাওলানা মনজুর রহমানকে চূড়ান্ত করা হয়।


ফুলেল শুভেচ্ছা জানানোর সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য হাফিজুর রহমান ও মাওলানা আহম্মদ উল্লাহ, পুঠিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ আব্দুল মান্নান, পুঠিয়া পৌর জামায়াতের আমির ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক, সেক্রেটারি আব্দুল আহাদ মন্টু, পুঠিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন ও সেক্রেটারি অধ্যক্ষ জুবায়ের মাসুমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।


সৌজন্য সাক্ষাতে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা রোধ এবং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হলে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল এতে সম্মতি জানান।


পাশাপাশি তিনি আগামী দিনে এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তন, হানাহানির রাজনীতি পরিহার এবং সামাজিক-রাজনৈতিক বিভেদ দূর করে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সকল পক্ষের সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শের ভিত্তিতে একসঙ্গে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। 


রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে ফুলের মালা পরিয়ে দিলেন জামায়াতে ইসলামীর পরাজিত প্রার্থী অধ্যক্ষ নাজমুল হক। আবু সাঈদ চাঁদ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সলুয়া ইউনিয়নের চামটা গ্রামে নাজমুল হকের সাথে সৌন্দর্য সাক্ষাত করতে গেলে তিনি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দেন।


ফুলের মালা প্রথমে আবু সাঈদ চাঁদকে পরিয়ে দেন নাজমুল হক। পরে এই মালা নাজমুল হককে পরিয়ে দেন আবু সাঈদ চাঁদ। নাজমুল হক আবারও পরিয়ে দেন আবু সাঈদ চাঁদকে। 


ছোট ভাই নাজমুলের বাসায় সৌজন্য সাক্ষাৎ ক্যাপশন লিখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আবু সাঈদ চাঁদের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে মালা পরিয়ে দেওয়া ভিডিও শেয়ার দেন। 


ভিডিও দেখে রহিদুল ইসলাম নাহিদ লিখেছেন, রাজনীতিতে জয় আছে, পরাজয়ও আছে—, এটাই স্বাভাবিক, এটাই গণতন্ত্রের নিয়ম। কিন্তু ফলাফল ঘোষণার পর যদি আমরা হিংসা, বিদ্বেষ বা বিভেদে না জড়িয়ে পরস্পরকে সম্মান করি, তাহলেই প্রকৃত নাগরিক সচেতনতার পরিচয় দেওয়া হয়।


জয়ী হলে যেন অহংকার না আসে, পরাজিত হলে যেন হতাশা বা প্রতিশোধের মনোভাব না জন্মায় ববরং উভয় পক্ষই যদি একে অপরকে সম্মান করে, শুভেচ্ছা জানায় এবং দেশের কল্যাণে একসাথে কাজ করার মানসিকতা রাখে, সেটাই সত্যিকারের সৌন্দর্য।


রাজনীতি হোক আদর্শের প্রতিযোগিতা, শত্রুতায় নয়। মতের ভিন্নতা থাকতে পারে, কিন্তু হৃদয়ের দূরত্ব যেন না বাড়ে। নির্বাচন একটি প্রক্রিয়া মাত্র; সম্পর্ক, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বই হলো স্থায়ী বন্ধন।


তিনি আরও লিখেন, আমরা চাই এমন একটি পরিবেশ, যেখানে জয়-পরাজয়ের পরেও সবাই একে অপরকে ভালো চোখে দেখে, হাত মিলিয়ে সামনে এগিয়ে যায়। কারণ শেষ পর্যন্ত আমরা সবাই একই দেশের নাগরিক, একই পতাকার নিচে একতাবদ্ধ। 


এছাড়া শামসুদ্দিন রিন্টু লিখেছেন, এটা রাজনীতির সৌন্দর্য , এটা দেখে রাজনৈতিক নেতাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত, রাজনীতি এমন হওয়া উচিৎ। রাজনীতি থেকে প্রতিহিংসা দূর হওয়া উচিত।


শাহিদুল ইসলাম সজিব লিখেছেন, এমনই সম্প্রীতি আর সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণের মাধ্যমে একসাথে মিলে চারঘাট বাঘার উন্নয়নের দৃষ্টান্তমূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান সমস্ত চারঘাট বাঘা বাসীর।


এমন সৌহার্দপূর্ণ দৃশ্য দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উভয়ের প্রশংসা করেন নেটিজেনরা। 


জানা গেছে, ৫৫ হাজার ৭০৭ ভোটের ব্যবধানে আবু সাঈদ চাঁদ ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ নাজমুল হক ৯২ হাজার ৯৬৫ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন। 


এ দিকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইকবাল হোসেন (লাঙ্গল) ১ হাজার ৬২৮ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রাার্থী আবদুস সালাম সুরুজ (হাতপাখা) ২ হাজার ৯৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচনী বিধিমোতাবেক জামানত হারিয়েছেন। 


এ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১১৯টি। এরমধ্যে বাঘায় ৬১টি কেন্দ্রে ধানের শীষ ৬৫ হাজার ৪১০, দাঁড়িপাল্লা ৪৫ হাজার ৬৪৫, লাঙ্গল ১ হাজার৫১৭, হাতপাখা ১ হাজার ৪৬। চারঘাটে ৫৮টি কেন্দ্রে পেয়েছেন ধানের শীষ ৮১ হাজার ৯৪৯, দাঁড়িপালা ৪৫ হাজার ৮১৫, লাঙ্গল ১ হাজার ৩২০, হাতপাখা ৫৪০ ভোট।


এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৯ জন। এর মধ্যে নারী ১ লাখ ৭৭ হাজার ৯৬৬ এবং পুরুষ ১ লাখ ৭৪ হাজার ৯১১।