সোমবার, জুন ২২, ২০২৬

ইসরায়েলের ‘হত্যা’র দাবির পর লারিজানির ‘লেখা’ প্রকাশ করল ইরানি গণমাধ্যম

সোনার দেশ ডেস্ক ১৭ মার্চ ২০২৬ ০৯:২০ অপরাহ্ন আন্তর্জাতিক
সোনার দেশ ডেস্ক ১৭ মার্চ ২০২৬ ০৯:২০ অপরাহ্ন
ইসরায়েলের ‘হত্যা’র দাবির পর লারিজানির ‘লেখা’ প্রকাশ করল ইরানি গণমাধ্যম
আলী লারিজানি

ইসরায়েল ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পর্ষদের প্রধান আলী লারিজানিকে হত্যা করার দাবির পর তার হাতে লেখা একটি বার্তা প্রকাশ করেছে তেহরানের গণমাধ্যম।


ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এবং আলী লারিজানির টেলিগ্রাম ও এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত ওই বার্তায় কোনো সময় ও তারিখের ছাপ নেই। যদিও রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই বার্তাটি আজকের (মঙ্গলবার)।


এটি তার জীবিত থাকার প্রমাণ হিসেবে দেওয়া হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।


ওই বার্তায় আন্তর্জাতিক জলসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত ইরানি নাবিকদের স্মরণ করা হয়েছে, যাদের জানাজা মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।


লারিজানির বার্তায় ইরানের নৌবাহিনীর ‘যোদ্ধাদের’ প্রশংসা করা হয়েছে।


এর আগে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ দাবি করেন, ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পর্ষদের প্রধান আলী লারিজানিকে হত্যা করা হয়েছে।


কাৎজের ভাষ্য অনুযায়ী, ইসরায়েল দুটি উচ্চপ্রোফাইল হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, একটি আলী লারিজানিকে লক্ষ্য করে, এবং অন্যটি আইআরজিসি-সম্পৃক্ত অভ্যন্তরীণ বাসিজ মিলিশিয়ার কমান্ডার গোলামরেজা সোলাইমানিকে।


লারিজানিকে সর্বশেষ গত শুক্রবার (১৩ মার্চ) প্রকাশ্যে দেখা যায়। সেদিন তিনি তেহরানে ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে আয়োজিত আল-কুদস দিবসের সমাবেশে অংশ নেন। সেখানে তার সঙ্গে ছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।


ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোয় লারিজানি দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন।


একসময় তিনি পশ্চিমাদের সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক আলোচনার নেতৃত্ব দেন। এছাড়া তিনি দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।


৬৮ বছর বয়সী লারিজানি আদর্শিক আনুগত্য, কূটনৈতিক দক্ষতা ও বাস্তবধর্মী রাষ্ট্র পরিচালনার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার জন্য পরিচিত। যুদ্ধের আগে ইরানের পারমাণবিক নীতি ও কৌশলগত কূটনীতিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।


যুদ্ধ শুরুর পর নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির তুলনায় লারিজানি অনেক বেশি দৃশ্যমান ছিলেন।


মোজতবা দায়িত্ব নেওয়ার পর জনসমক্ষে কম দেখা গেলেও, গত সপ্তাহে তেহরানে সরকারপন্থী এক সমাবেশে লারিজানিকে জনতার সঙ্গে হাঁটতে দেখা যায়; যা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।


তথ্যসূত্র: বাংলানিউজ