ঈশ্বরদীতে বসত বাড়িতে হামলা মামলার তিন সাক্ষীর নাম প্রত্যাহারের দাবি
পাবনার ঈশ্বরদীতে বসতবাড়িতে হামলা মামলার এজাহারে অনুমতি ছাড়া সাক্ষি হিসেবে নাম ব্যবহার করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ৩ সাক্ষী। রোববার ঈশ্বরদী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে মো. কুদ্দুস, মো. আরমান ও মো. সোহেল যৌথভাবে সংবাদ সম্মেলন করে মামলার সাক্ষী তালিকা থেকে তাদের নাম প্রত্যাহার করার দাবি জানান।
লিখিত বক্তব্যে মো. সোহেল বলেন, গত ২১ মার্চ রাতে শহরের ফতেমোহাম্মদপুর নিউ কলোনী এলাকায় মোছা. রাবেয়া খাতুন নামের এক নারীর বসতবাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় থানায় দায়ের করা মামলায় আমাদের তিন জনের নাম সাক্ষী হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। অথচ এ ঘটনা সম্পর্কে আমরা তিনজনের কেউই অবগত নই। ওই ঘটনা সম্পর্কে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আমরা কেউই বিন্দুমাত্র অবগত নই, অথচ ওই মামলার সাক্ষী হিসেবে আমাদের নাম ব্যবহার করা হয়েছে। এক্ষেত্রে আমাদের নিকট কোন অনুমতিও নেওয়া হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয় ৩ সাক্ষীর একজন মল্লিক পেপার মিলে চাকরি করেন, একজন স্থানীয় বাজারের মুদি দোকানি এবং একজন সাধারণ ব্যবসায়ী। ঘটনার দিন প্রত্যেকেই তাদের নিজ নিজ কর্মস্থলে কর্মরত ছিলেন অথচ ওই ঘটনার মামলায় তাদের নাম সাক্ষি হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখিত ৩ জন মামলা থেকে তাদের নাম প্রত্যাহার করার দাবি জানান।
এ বিষয়ে মামলার বাদি মোছা. রাবেয়া খাতুনের মুঠোফোনে (০১৯৩০৪১২৮২৬) কয়েকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুজ্জামান জানান, গত ২১ মার্চ রাতে শহরের ফতেমোহাম্মদ পুর নিউ কলোনী এলাকায় বসতবাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় মোছা. রাবেয়া খাতুন বাদি হয়ে মো. মেহেদী হাসানকে এক নম্বর আসামী করে ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ৫০/৬০ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। সাক্ষিদের অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।