মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে নগরীতে র্যালি
‘লিঙ্গীয় বৈষম্য দূর করি, সমতাপূর্ণ সমাজ গড়ি’- এই প্রতিপাদ্য নিয়ে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের ৫৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ রাজশাহী জেলা শাখা ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্দ্যোগে শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকালে বর্ণাঢ্য র্যালি নগরীর আলুপট্টি থেকে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেষ হয়।
সেখানে জাতীয় পতাকা ও সংগঠনের পতাকা উত্তোলণ এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, নারী-পুরুষের সমতাপূর্ণ সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার গভীর প্রত্যয় নিয়ে ১৯৭০ সালের ৪ এপ্রিল আত্মপ্রকাশ করে স্বেচ্ছাসেবী আন্দোলনমূখী গণনারী সংগঠন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। এই কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি কল্পনা রায়। সঞ্চালনায় ছিলেন জেলার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নিলুফার আহমেদ।
অন্যদের মধ্যে একাত্মতা ঘোষণা করেন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি অধ্যাপক রাশেদা খালেক, প্রবীন সাংবাদিক মুস্তাফিজুর রহমান খান, মুক্তিযুদ্ধ সংসদের যুগ্ম-আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান আলী বরজাহান, উদীচীর সভাপতি জুলফিকার আহমেদ গোলাপ বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক মোবাররা সিদ্দিকা, বরেন্দ্র উন্নয়ন প্রচেষ্ঠার নির্বাহী পরিচালক ফয়েজুল্লাহ চৌধুরী,
পরিবর্তন এর নির্বাহী পরিচালক রাশেদ রিপন, আসুস নির্বাহী পরিচালক রাজকুমার শাঁও, কবিকুঞ্জের সভাপতি ও অব:প্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলমগীর মালেক, সাংস্কৃতিক কর্মী, মজিদা আক্তার বিথী, নাট্য ব্যক্তিত্ব কামার উল্লাহ সরকার, রাজশাহী থিয়েটারের সভাপতি নিতাই সরকার, ইলা মিত্র শিল্পী গোষ্ঠীর সভাপতি তাপস মজুমদার, এ্যাড. শামসুন নাহার মুক্তি, ব্লাস্ট এর প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র হেমব্রম, প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ প্রতিকুল অবস্থাতেও পিছ পা হন নাই নারী মুক্তির আন্দোলন চালিয়ে গেছেন। মহিলা পরিষদ বিভিন্ন নারী নির্যাতন প্রতিরোধের প্লাটফর্ম। আমরা নারী আন্দোলনের সকল পর্যায়ে সমতার সফলতা কামনা করছি এবং মহিলা পরিষদের সকল কার্যক্রমে একাত্মতা ঘোষণা করি।