প্রসাবখানা নির্মাণ, তৌহিদী জনতার অভিযোগে ভাঙচুর!
নওগাঁর পত্নীতলায় নজিপুর পৌরসভার বাসস্ট্যান্ডে পূর্ব-পশ্চিমমুখী পাবলিক নতুন প্রসাবখানা নির্মাণ ও ব্যবহারের জন্য খুলে দেয়ার অভিযোগে তৌহিদী জনতা আক্ষেপে ভেঙে দেন টয়লেটের বসার পাদানি। এমন কাজের জন্য দায়ী করে নজিপুর পৌরসভার প্রকৌশলী ফজলুল হককে দ্রুত বদলির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় তৌহিদি জনতা ও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
জানা যায়, নজিপুর পৌরসভা এলাকায় সম্প্রতি একটি পাবলিক টয়লেট নির্মাণ সম্পন্ন করা হয়। তবে টয়লেটটি ব্যবহারের উপযোগী করার পর দেখা যায়, এর প্যানগুলো ধর্মীয় রীতিনীতি পরিপন্থীভাবে সরাসরি পূর্ব-পশ্চিমমুখী করে বসানো হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর থেকেই এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় তৌহিদী জনতার অভিযোগ, একটি মুসলিম প্রধান জনপদে জনগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে ধর্মীয় স্পর্শকাতরতার বিষয়টি গুরুত্ব দেয়া হয়নি। নজিপুর পৌরসভার প্রকৌশলী ফজলুল হক ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার উদ্দেশ্যেই এমনটি করেছেন বলে দাবি তাদের।
বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী জানান, টয়লেট নির্মাণের প্রাথমিক নিয়মগুলোও এখানে মানা হয়নি। অবিলম্বে এই টয়লেটের দিক পরিবর্তন করতে হবে এবং অভিযুক্ত প্রকৌশলী নজিপুর পৌরসভা কার্যালয় থেকে বদলি করতে হবে।
দ্রুত সময়ের মধ্যে টয়লেটের সংস্কার এবং নজিপুর পৌরসভার প্রকৌশলীকে অপসারণ না করা হলে বড় ধরনের কঠোর কর্মসূচি পালনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৌহিদী জনতা।
এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে নজিপুর পৌরসভার প্রকৌশলী ফজলুল হক জানান, ‘ভুলবশত অনাকাঙ্খিতভাবে নির্মাণ করা হয়। যা পরবর্তী সময়ে সচেতন নাগরিক সমাজ বাদি হয়ে যায়। এসময় বৃহস্পতিবার (৭ মে) দিনে ওই টয়লেট পূর্ব-পশ্চিম দিকের হওয়ার কারণে বসার পাদানি ভাঙচুরের খবর শুনেছি।
তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে দ্রুত সংস্কারের জন্য উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের।
নজিপুর পৌরসভার প্রশাসক ও পত্নীতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা বলেন, এটি সংস্কার ও সমাধান করা হবে।