সোমবার, জুন ২২, ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জে চাহিদার চেয়ে প্রায় ৫৯ হাজার বেশী মজুদ কোরবানির পশু

শিবগঞ্জ প্রতিনিধি ১৩ মে ২০২৬ ১০:০৮ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
শিবগঞ্জ প্রতিনিধি ১৩ মে ২০২৬ ১০:০৮ অপরাহ্ন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে চাহিদার চেয়ে প্রায় ৫৯ হাজার বেশী মজুদ কোরবানির পশু

আসন্ন ইদুল আজহাকে সামনে রেখে আগে থেকেই পুরোদমে কোরবানির পশু বেচাকেনা শুরু হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের পশুর হাটগুলোতে। 


সরেজমিনে জেলার প্রায় সবগুলো পশুর হাটে গিয়ে যায়, বাইরের জেলা থেকে অনেক পাইকার পশু ক্রয়ের জন্য আসছে। ঠিক তেমনি স্থানীয়রাও কিন্তু তাদের পছন্দমতে কোরবানির পশু ক্রয়ের ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। এদিকে এবছর চাহিদার তুলনায় কোরবানি পশু বেশি রয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়।


জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্র বলছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পাঁচটি উপজেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে ২ লাখ ২৬ হাজার ৫০ টি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। আর জেলায় কোরবানি পশুর চাহিদা হচ্ছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ২০২টি পশু। ফলে জেলায় উদ্বৃত্ত রয়েছে ৫৮ হাজার ৮৪৮টি পশু।


পশুগুলোর মধ্যে ৪৩ হাজার ৮২৪ টি ষাঁড়, ৩৬ হাজার ৩৩১ টি বলদ, ৩৬ হাজার ৮৫৫ টি গাভী, ৫০৬ টি মহিষ, ৮৪ হাজার ৮০১ টি ছাগল, ১২ হাজার ৯২২ টি ভেড়া রয়েছে। ৫ টি অন্যান্য পশু রয়েছে।


মঙ্গলবার (১২ মে) সরেজমিনে বিকেলে শিবগঞ্জ উপজেলার সর্ববৃহৎ পশুর হাট তর্ত্তিপুরে কোরবানির গরু ক্রয় করতে আসা মনিরুল ইসলাম নামে একজন ক্রেতা জানান, আমি গত কয়েক বছর ধরেই গৃহস্থের কাছ থেকেই গরু ক্রয় করে থাকি। আজ হাটে এসেছি পরিচিত বা জানাশোনা কোন গৃহস্থের কাছ থেকে গরু ক্রয় করবো। জানা মতে, আমাদের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গৃহস্থরা ও খামারিরা হাইজেনিক মেইনটেন্ট করে খাবার দিয়ে থাকে। গরুর মাংসের গুণগত মানও ভালো থাকে।


শিবগঞ্জ উপজেলার রুহুল এগ্রো ফার্মের মালিক রুহুল আমিন বলেন, আমরা প্রাকৃতিক উপায়ে গরু লালন পালন করে থাকি। আমাদের নিজস্ব জমিতে উৎপাদন করা ঘাস এবং সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করা দানাদার খাবার খাইয়ে থাকি। যার কারণে আমাদের এখানে গরু আগে থেকেই বিক্রি হয়ে যায়।


চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শারমিন আক্তার বলেন, এবছর কোরবানির ইদে জেলায় কোরবানি পশু প্রস্তুত আছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৫০ টি আর চাহিদা হচ্ছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ২০২টি পশু। ফলে জেলায় এখন পর্যন্ত আমাদের চাহিদা অনুযায়ী উদ্বৃত্ত রয়েছে ৫৮ হাজার ৮৪৮টি পশু।


তিনি আরও বলেন, ইদুল আজহা বাংলাদেশে একটি বৃহৎ উৎসব। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে জেলা ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর একটা চ্যালেঞ্জে থাকে। আমরা সব অংশীজনদের নিয়ে সম্মিলিতভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করি।