সোমবার, জুন ২২, ২০২৬

আমার পদমর্যাদা মন্ত্রীদের চেয়েও বেশি: ডা. তাহের

সোনার দেশ ডেস্ক ৩১ মে ২০২৬ ০২:৫০ অপরাহ্ন রাজনীতি
সোনার দেশ ডেস্ক ৩১ মে ২০২৬ ০২:৫০ অপরাহ্ন
আমার পদমর্যাদা মন্ত্রীদের চেয়েও বেশি: ডা. তাহের
চৌদ্দগ্রামে উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দলের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের। ছবি: আজকের পত্রিকা

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, তাঁর ‘পদমর্যাদা মন্ত্রীদের চেয়েও বেশি।’ আজ রোববার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

ডা. তাহের বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিএনপি আমাদের চেয়ে ১০ পার্সেন্ট ভোট বেশি পেয়েছে। জামায়াতে ইসলামী এককভাবে ৬৮টি আসন ও জোটগতভাবে ৭৭টি আসন পেয়েছে। আমরা আশা করছি, ভবিষ্যতেই জামায়াতে ইসলামীই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি শুধু একজন এমপি নই, আমি একজন মন্ত্রী। আমার গাড়িতে জাতীয় পতাকা থাকে, জাতীয় সংসদে মন্ত্রীরা যদি অধিবেশন চলাকালে মাসে একবার কথা বলে। আমি অধিবেশন চলাকালীন প্রতিদিন ২-৩ বার কথা বলতে পারি। অতএব, আমার পদমর্যাদা মন্ত্রীদের চেয়েও বেশি।’

নিজ নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়ন সম্পর্কে বলেন, ‘এখানকার বিএনপি দাবি (চৌদ্দগ্রামের) করছে—এই এলাকার সকল উন্নয়ন তাদের হাত ধরেই হবে। তাদের উদ্দ্যেশে বলতে চাই অন্তর্বর্তী সরকার থাকাকালে আমি এ এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নিয়ে এসেছি। নির্বাচন অতিবাহিত হয়েছে মাত্র তিন মাস। এরই মধ্যে এলাকার উন্নয়নের আরও ১০০ কোটি টাকার বরাদ্দ এনেছি।’

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘সবে সরকারের তিন মাস অতিবাহিত হয়েছে। যদি বিএনপি পাঁচ বছর ক্ষমতায় টিকে যায়, টিকবে কি না?’ ডাক্তার তাহেরের এমন প্রশ্নে দর্শক সারিতে নেতা-কর্মীরা বলেন, টিকবে না। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি কিন্তু কিছু বলি নাই। আমরা চাই তারা (বিএনপি) ক্ষমতায় থাকুক। তারা ক্ষমতায় থাকলে এই বরাদ্দ আরও কয়েক গুন বৃদ্ধি পাবে।’

ডা. তাহের আরও বলেন, ‘চৌদ্দগ্রামের মৌলিক সমস্যা কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসা। এই চৌদ্দগ্রামে এই দুটোর স্থান হবে না। কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসায়ীদের ৬ মাস সময় দিলাম—আপনারা অন্য কোনো ব্যবসা খোঁজেন। না হয়, ছয় মাসের পরেও যদি এই রাস্তায় থাকেন, তাহলে বোঝা যাবে—আপনারা ইচ্ছে করেই এই রাস্তায় আছেন। কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যা বেশি না, ভালো মানুষের সংখ্যা বেশি? অবশ্যই ভালো মানুষের সংখ্যা বেশি। কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসায়ীদের ধরার জন্য আপনারা ঘর থেকে বের হবেন কি না? বের হলে, সমাজ থেকে অপরাধ কমে যাবে। আমার নেতৃত্বেই কিশোর গ্যাং ও মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালিত হবে। তাদের আর ছাড় নয়।’

তথ্যসূত্র: আজকের পত্রিকা অনলাইন