সোমবার, জুন ২২, ২০২৬

পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর শিবগঞ্জ সচেতন শিক্ষার্থী সমাজের সহযোগিতায় অবশেষে থানায় মামলা

শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) সংবাদদাতা: ০৯ জুন ২০২৬ ০১:৩২ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) সংবাদদাতা: ০৯ জুন ২০২৬ ০১:৩২ অপরাহ্ন
পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর শিবগঞ্জ সচেতন শিক্ষার্থী সমাজের সহযোগিতায় অবশেষে  থানায় মামলা

শিবগঞ্জে নয়নী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সচেতন শিক্ষার্থী সমাজের সহযোগিতায় অবশেষে শিবগঞ্জ থানায় একটি মামলা হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যার পর নয়নীর নিকটতম আত্মীয় ও দূর্লভপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের শেরপুর ভান্ডার বিজিপাড়া  গ্রামের  মোস্তাকের  স্ত্রী আকলিমা বেগম (৩৭) বেগম বাদি হয়ে নোমান ও হাজী রইস উদ্দিনসহ নামীয় আটজনসহ আরো অজ্ঞাতনামা আরো ৩/৪জন কে আসামী করে শিবগঞ্জ থানায় একটি এজাহার দিলে থানা পুলিশ রাতে মামলা হিসাবে রেকর্ড করেন। 

আকলিমা বেগম স্বাক্ষরিত এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নয়নী গৃহপরিচালকা হিসাবে নোমান হোসেনের পিতার গৃহে অবস্থান করার সময় তার ওপর লোলুপ দৃষ্টি পড়ে এবং বিভিন্ন প্রলোভনের মাধ্যমে অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এ ঘটনাটি নোমানের বাড়ির লোকজনসহ অন্যান্য আসামীরা জানতে পেরে তারা সকলে নয়নীর ওপর শারীরিক নির্যাতন চালায়। এক পর্যায়ে ১ জুন সোমবার বিকাল ৩টার পরে তারা নয়নীকে হত্যার করে তাদের বাড়ির দোতলায় একটি সিলিং ফানের সাথে ওড়না দিয়ে  ফাঁসিতে ঝুলিয়ে আবার তারাই ফাঁসি থেকে নামিয়ে রাখে। রাত ১১টার দিকে  থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে এবং ২ জুন মঙ্গলবার সদর হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়। ময়না তদন্ত শেষে ২ জুন মঙ্গলবার রাত প্রায় আটটার দিকে দূর্লভপুর শেরপুর ভান্ডার বিজিপাড়া গ্রামে দাফন করা হয়। 

এজাহারে আরো বলা হয়েছে যে, আসামীরা নয়নীকে হত্যা করে নাটকীয়ভাবে অন্য খাতে  প্রবাহিত করার চেষ্টা করে। উল্লেখ্য যে এ হত্যা ঘটনায় নয়নীর আত্মীয়রা থানায় মামলা করতে গেলে থানা পুলিশ মামলা গ্রহণ না করে বারবার হয়রানি করে বলে জানান এজাহারের বাদি আকলিমা বেগম। ঘটনাটি শিবগঞ্জ উপজেলা সচেতন শিক্ষার্থী সমাজ জানতে পেরে ৭ জুন রোববার দুপুরে সচেতন শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে ফাইয়াজ রহামান তনয়, আল বশরী সোহান, সাইমুন ইসমালাম সাদাব ও শাহাদাত হোসেন সহ কয়েকজনের একটি টিম আমাদের বাড়িতে  ছুটে আসেন এবং খোঁজ খবর নেন। তাদের সহযোগিতায় অবশেষে ৮ জুন সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশ এজাহার জমা নিয়েছে এবং রাতে মামলা হিসাবে রেকর্ড করেন থানা পুলিশ। এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মতিউর রহমান বলেন, সোমবার  ৮ জুন সন্ধ্যায় মোসা. আকলিমা বেগম একটি এজাহার দিয়েছেন। আমরা এটিকে মামলা হিসাবে রেকর্ড করেছি এবং তদন্ত ভার এস আই প্লাবনের ওপর দেয়া হয়েছে।  তদন্ত শেষে আইননুগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।