সোমবার, জুন ২২, ২০২৬

সান্তাহারে চাচার কামড়ে ভাতিজার গোপনাঙ্গ রক্তাক্ত, থানায় অভিযোগ

আদমদীঘি প্রতিনিধি ২০ জুন ২০২৬ ১১:২৮ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
আদমদীঘি প্রতিনিধি ২০ জুন ২০২৬ ১১:২৮ অপরাহ্ন
সান্তাহারে চাচার কামড়ে ভাতিজার গোপনাঙ্গ রক্তাক্ত, থানায় অভিযোগ

বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারে পারিবারিক বিরোধের জেরে চাচার কামড়ে আপন ভতিজার গোপনাঙ্গ রক্তাক্ত হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের বশিপুর প্রামাণিকপাড়ায় ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় শুক্রবার (২০ জুন) রাতে ১৬ বছর বয়সী আহত তরুণ মাহফুজ ইসলাম প্রিয়র বাবা রাশেদ উন নবী বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাবা আব্দুল জলিলের মৃত্যুর পর ছেলে রাশেদ উন নবী ও তার ছোট ভাই রাব্বী বাড়ির জায়গা সমান ভাগে ভাগ করে নেয়। সম্প্রতি তারা বাড়ির মাঝখানে ইটের প্রাচীর দিয়ে আলাদা হয়ে যান। এরপর রাশেদ তার অংশে থাকা একটি ঘরের সংস্কার কাজ করছিলেন। বুধবার বার বেলা ৩টায় রাশেদের ঘরের সাম সাইড ভাঙাকে কেন্দ্র করে উভয় পরিবারের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে অভিযুক্ত রাব্বী (৩১) ও তার স্ত্রী মেমি বেগম (২৫) তাদের বাড়িতে অনাধীকার প্রবেশ করে লোহার রড দিয়ে রাশেদ, তার স্ত্রী ও ছেলেকে এলোপাথাড়িভাবে মারপিট করেন। এ সময় অভিযুক্ত রাব্বী তার আপন ভাতিজা মাহফুজ ইসলাম প্রিয়র গোপনাঙ্গ কামড়ে দেন। এতে তিনি রক্তাক্ত হয়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।

স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের নৃশংস ঘটনায় তারা হতবাক। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

আদমদীঘি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাবুল আক্তার বলেন, বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যাই। আহত তরুণের বাবা রাশেদ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। ছেলের চিকিৎসার পর মামলাও করবেন বলে জানিয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রাব্বী ও তার স্ত্রী মেমি বেগম পলাতক রয়েছেন।