শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

উত্তরাখণ্ডে নির্মীয়মাণ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ‘টানেল’ ধসে মৃত্যু অন্তত সাত জনের

সোনার দেশ ডেস্ক ১৪ আগস্ট ২০২৬ ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন আন্তর্জাতিক
সোনার দেশ ডেস্ক ১৪ আগস্ট ২০২৬ ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
উত্তরাখণ্ডে নির্মীয়মাণ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ‘টানেল’ ধসে মৃত্যু অন্তত সাত জনের
ধস নামার পর উত্তরাখণ্ডের সুড়ঙ্গের ভিতর চলছে উদ্ধারকাজ। ছবি: সংগৃহীত।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার মায়াপুর (পিপালকোটি) এলাকায় সুড়ঙ্গ খননের কাজ চলছিল। পৌনে ৭টা নাগাদ হঠাৎই ধস নামে। জল এবং কাদার স্রোত সুড়ঙ্গমুখ বন্ধ করে দেয়।


উত্তরাখণ্ডের নির্মীয়মাণ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে ধস নেমে মৃত্যু হল অন্তত সাত জনের। আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৪ জন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার মায়াপুর (পিপালকোটি) এলাকায় সুড়ঙ্গ খননের কাজ চলছিল। পৌনে ৭টা নাগাদ হঠাৎই ধস নামে। জল এবং কাদার স্রোত সুড়ঙ্গমুখ বন্ধ করে দেয়। ভিতরে আটকে পড়েন অন্তত ২২ জন শ্রমিক।


রাত থেকেই শুরু হয় উদ্ধারকাজ। উত্তরাখণ্ড পুলিশ, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এসডিআরএফ), সিআইএসএফ এবং অন্য উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে শামিল হন স্থানীয়রাও। এখনও পর্যন্ত ২২ জনের মধ্যে ২১ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে সাত জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৪ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এক জন এখনও সুড়ঙ্গের ভিতরে আটকে।


শুক্রবার ভোরে রুদ্রপ্রয়াগ থেকে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলাকারী বাহিনী (এনডিআরএফ)-র একটি দল দুর্ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দিয়েছে। যৌথ উদ্ধার অভিযানে ধস সরিয়ে সুড়ঙ্গের ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করা হচ্ছে। উদ্ধারকাজে তদারকি করছেন চামোলির জেলাশাসক গৌরব কুমার। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিংহ ধামীও। উদ্ধারকাজে গতি আনতে সব উদ্ধারকারী দলের কাছে সাহায্যের আর্জি জানিয়েছেন তিনি।


উত্তরাখণ্ডের তেহরি হাইড্রো ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (টিএইচডিসি)-এর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য সুড়ঙ্গটি খনন করা হচ্ছিল। কাজের বরাত দেওয়া হয়েছিল হিন্দুস্তান কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (এইচসিসি)-কে।


উত্তরাখণ্ডে সুড়ঙ্গ-বিপর্যয় অবশ্য এই প্রথম নয়। ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর উত্তরকাশীর সিল্কিয়ারা-বারকোট সুড়ঙ্গের নির্মীয়মাণ অংশে ধস নামে। ভিতরে আটকে পড়েন ৪১ জন শ্রমিক। টানা ১৭ দিনের প্রচেষ্টার পরে ২৮ নভেম্বর ‘ইঁদুরের গর্ত’ (যার পোশাকি নাম ‘র‌্যাট-হোল মাইনিং’) পদ্ধতির সাহায্যে উদ্ধার করা হয় ওই শ্রমিকদের। ২০২৫ সালের ৩১ অগস্ট উত্তরাখণ্ডেরই পিথোরাগড়ে ধৌলিগঙ্গা বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের সুড়ঙ্গের মুখে ধস নেমে প্রবেশপথ অবরুদ্ধ হওয়ায় ভিতরে আটকে পড়েন জাতীয় জলবিদ্যুৎ কর্পোরেশন লিমিটেড (এনএইচপিসি)-র ১৯ জন কর্মী। তবে তাঁদের নিরাপদে বাইরে বার করে আনা সম্ভব হয়েছিল।


তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন